রাজধানীতে শুরু হয়েছে চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনী। গতকাল শুক্রবার সকালে র্যাডিসন হোটেলের উৎসব হলে ‘দ্বিতীয় হেরিটেজ গালা ইভেন্টÑ আগস্ট ২০১৯’ শীর্ষক দুদিনের এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। বেলা এগারোটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলবে এ প্রদর্শনী।
চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যবাহী লোকজ উপকরণ স্থান পেয়েছে প্রদর্শনীতে। বিভিন্ন স্টলে ভিন্ন ভিন্ন পণ্য নিয়ে বসেছেন দোকানিরা। রয়েছে জামদানি, মসলিন, রাজশাহী সিল্কের শাড়ি, হাতে নকশা করা শাড়ি ও সালেয়ার-কামিজ, শখের হাঁড়ি, মাটির টেপা পুতুল, পাট দিয়ে বানানো লোকজ পণ্য প্রভৃতি। এ ছাড়া রয়েছে ঢাকাই পনির, বাখরখানি, পিঠা ইত্যাদি।
গতকাল প্রধান অতিথি হিসেবে এই আয়োজনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ ও ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ত্রান ভান খোয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন এই আয়োজনের উদ্যোক্তা তুতলী রহমান। আরও বক্তব্য দেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রোকিয়া আফজাল রহমান, বাংলাদেশ হেরিটেজ ক্রাফটস ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) মো. মনজুর কাদের, গুলশান সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সাখাওয়াত আবু খায়ের মোহাম্মদ, নারী উদ্যোক্তা দিলরুবা আহমেদ, ডলি ইকবাল প্রমুখ।
এইচ টি ইমাম বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিল্পের ধরন বদলায়। কিন্তু ঐতিহ্য হারিয়ে যায় না। ঐতিহ্য কারুশিল্প ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্য অনন্য এক আয়োজন করেছে।’ উদ্যোক্তা তুতলী রহমান বলেন, ‘ঐতিহ্য কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের সম্মিলিত স্বপ্নই আজ এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাস্তব হয়ে ধরা দিয়েছে। আমাদের এ অগ্রযাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
উদ্বোধনী পর্বের পর অনুষ্ঠিত হয় ফ্যাশন শো। দেশের স্বনামধন্য মডেলরা উপস্থিত দর্শকদের সামনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী মসলিন, জামদানি, সিল্ক, খাদি কাপড়ে তৈরি আধুনিক ডিজাইনের শাড়ি ও পোশাক ফ্যাশন শোর মাধ্যমে তুলে ধরেন। আজ প্রদর্শনীর সমাপনী দিনের আয়োজন বসবে বেলা এগারোটায়। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অরুনরাং ফতং হামফ্রেস। সম্মানিত অতিথি থাকবেন বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট রুবানা হক।
