বন্দরনগরীসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরির অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একটি চুরির মামলা তদন্তে নেমে তাদের ধরা হয় বলে গতকাল রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, তাদের কাছ থেকে দুটি এলজি, একটি লোহার কাটার, একটি লোহার রড ও চারটি কার্তুজ জব্দ করা হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান বলেন, কোতোয়ালি থানা এলাকায় গত কয়েক মাসে পাঁচটি চুরির মামলা হয়। একটি ঘটনায় মালিঙ্গা নামে এক চোরকে গ্রেপ্তারের পর আন্তঃজেলা চোরচক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। গত শনিবার রাতে নগরীর লালদীঘির পাড়ের হোটেল তুনাজ্জিন থেকে চক্রের ১১ সদস্যকে ধরা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে ঢাকার গুলশান, মহাখালী, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম শহরে চুরি করে আসছিল চক্রটি।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মো. হানিফ (৩৮), মো. কামাল হোসেন (২৮), মো. লিয়াকত হোসেন (২৪), মো. আকরাম ওরফে সাগর (২৩), মো. তৌফিক (২৬), মো. মাসুম (২৬), মো. মিজান (২৫), নয়ন মল্লিক (২২), মো. মিলন (২৫), জামাল উদ্দিন (৩০), মো. কামাল ওরফে জসিম (৩২)। লিয়াকত ও নয়নের বাড়ি চট্টগ্রামে, কামালের বাড়ি নরসিংদী এবং অন্যদের বাড়ি কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায়। সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফ, সিনিয়র সহকারী কমিশনার নোবেল চাকমা, কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
×
