নারায়ণগঞ্জে আরাফাত হত্যা মামলায় ৭ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ২ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক শেখ রাজিয়া সুলতানা এ রায় ঘোষণা করেন।
নিহত আরাফাত সিদ্ধিরগঞ্জের আটি এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
এ সময় আদালতে ৩ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ফালাইন্নার ছেলে সজিব, মৃত মোহন মিয়ার ছেলে রাসেল, হারুন অর রশিদের ছেলে জয় আহমেদ ওরফে জাহিদুল ইসলাম।
সাজাপ্রাপ্ত অপর চার পলাতক আসামিরা হলেন- রফিকুল্লা ওরফে রফিকের ছেলে ইছব ওরফে ইউসুফ, মৃত আফজালের ছেলে রফিকুল্লা ওরফে রফিক, চান মিয়ার ছেলে দেলোয়ার ওরফে দেলু এবং আবু তালেবের ছেলে শামীম।
খালাস প্রাপ্তরা হলেন- মোসলেমের ছেল রাজু আহম্মেদ, ইব্রাহিমের ছেলে শফি ওরফে শফিকুল ইসলাম।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) জাসমিন আহমেদ জানান, ২০১০ সালে সিদ্ধিরগঞ্জে ক্রিকেট খেলার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আরাফাতকে (২২) আর এম অয়েল মিলের পরিত্যক্ত জায়গায় ব্লেড দিয়ে পোঁচ দিয়ে হত্যা করে ডোবার মধ্যে ফেলে রাখে। পরদিন বিকেলে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরাফাতের বাবা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আজ এই মামলায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় শেখ রাজিয়া সুলতানার আদালত ৩ জন আসামির উপস্থিতিতে ২৫ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দিয়েছেন এবং ২ জনকে বেকসুর খালাস দেন।
