জেলার চিরিরবন্দর উপজেলায় চার বছর আগে সুমন ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে মাদকসহ পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন তারই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইমরান হোসেন (২৫)। চার বছর কারাগারে থেকে সম্প্রতি বের হন সুমন। গতকাল বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের দগরবাড়ি গ্রামের বাঙালপাড়ায় সুমন তার সহযোগী আকবর
আলীকে (২০) নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন ইমরানকে। পরে স্থানীয়রা দুজনকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশ ইমরানের বাবার করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখায়।
ইমরান হোসেন নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হালদারপাড়ার টেনী ইসলামের ছেলে। খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সুমন ইসলাম একই উপজেলার কালু বাবুর্চির ছেলে। আকবর আলী উপজেলার হাতিখানা বিস্কুট ফ্যাক্টরি এলাকার সৈয়দ আলীর ছেলে।
খুনের কথা জানিয়ে চিরিরবন্দর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গতকাল বুধবার বিকেল ৪টার দিকে কৌশলে ইমরান হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে সুমনের মামার বাড়ি নিয়ে যাওয়ার কথা বলে চিরিরবন্দরের ইউসুফপুর গ্রামের দগরবাড়ি এলাকায় নিয়ে আসে। সেখানে নির্জনে একা পেয়ে সুমন ও আকবর মিলে ইমরানকে উপর্যুপরি দেশি অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। কোপাতে কোপাতে যখন ইমরানের মৃত্যু নিশ্চিত করে, তখন সেখান থেকে দুজনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী ঘটনাটি দেখতে পেয়ে তাদের দুজনকেই আটক করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এলাকাবাসী সুমন ও আকবরকে আটকের পর আমাদের খবর দিলে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
হত্যার ঘটনায় ইমরানের বাবা টেনী ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল চিরিরবন্দর থানায় হত্যা মামলা করেন বলেও জানান ওসি।
