প্রতি তিনজনে একজন অনলাইনে উৎপীড়নের শিকার

আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৫০ এএম

বিশ্বের প্রতি তিনজন তরুণ-তরুণীর একজন অনলাইনে উৎপীড়নের শিকার হন উল্লেখ করে জাতিসংঘ জানিয়েছে, প্রতি পাঁচজনের মধ্যে অন্তত একজন এ কারণে স্কুল বাদ দিয়েছে।

ইউনিসেফ এবং শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতাবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধির (এসআরএসজি) করা এক জরিপে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। গত বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে ‘ইউ-রিপোর্ট’ নামে তরুণ-তরুণীরা নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে জরিপে অংশ নেন।

অংশ নেওয়াদের তিন-চতুর্থাংশ বলেছেনÑ ফেইসবুক, ইন্সটাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো অনলাইন উৎপীড়নের সবচেয়ে পরিচিত স্থান।

বাংলাদেশের ৪৫ শতাংশ ইউ রিপোর্টার জানিয়েছেন, তারা অনলাইনে উৎপীড়নের শিকার হয়েছেন। জরিপে ৩২ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানান, অনলাইনে উৎপীড়ন বন্ধে সরকারকেই দায়িত্ব নেওয়া উচিত। এছাড়া জরিপে অংশ নেওয়াদের ৩১ শতাংশ এক্ষেত্রে তরুণ সমাজের এবং ২৯ শতাংশ ইন্টারনেট কোম্পানির দায়িত্বের কথা উল্লেখ করেন।

শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতাবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি (এসআরএসজি) নাজাত মাল্লা মজিদ বলেন, ‘এখানে আমরা সবাই একত্রে আছি এবং অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে আমাদের অবশ্যই দায়িত্বটি ভাগ করে নিতে হবে।’

১৩-২৪ বছর বয়সী ১ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি ইউ রিপোর্টার এই জরিপে অংশ নেন। যার মধ্যে আছেন আলবেনিয়া, বাংলাদেশ, বেলিজ, বলিভিয়া, ব্রাজিল, বুরকিনা ফাসো, আইভরি কোস্ট, ইকুয়েডর, ফ্রান্স, গাম্বিয়া, ঘানা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, জ্যামাইকা, কসোভো, লাইবেরিয়া, মালাবি, মালয়েশিয়া, মালি, মলদোভা, মন্টিনিগ্রো, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, রোমানিয়া, সিয়েরা লিওন, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম ও জিম্বাবুয়ের তরুণরাও।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী উচ্চ ও নিম্নআয়ের উভয় শ্রেণির দেশগুলোর তরুণ জনগোষ্ঠীই আমাদের বলছে যে তারা অনলাইনে উৎপীড়নের শিকার হচ্ছে, যা তাদের পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে এবং এটি তারা বন্ধ করতে চায়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত