ভাঙনে বিলীন ৫ শতাধিক বাড়ি

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:১৪ পিএম

পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা ও লোহালিয়া নদীতে ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত এক সপ্তাহে নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি।

গত এক বছরে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে উপজেলার আংগারিয়া, মুরাদিয়া, পাঙ্গাশিয়া ও লেবুখালী ইউনিয়নের অন্তত ১০ গ্রামের পাঁচ শতাধিক বাড়ি, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। হুমকির মুখে রয়েছে লেবুখালীর পুরনো বাজার, আংগারিয়ার বাহেরচর, মুরাদিয়ার কালেখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দক্ষিণ মুরাদিয়ার মজুমদারের হাট, রাজগঞ্জ ও চান্দখালী গ্রামের ওয়াপদা বেড়িবাঁধ। ভাঙন অব্যাহত থাকায় ওইসব এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পাশাপাশি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে। নদীভাঙনকবলিত অসহায় পরিবারগুলোর মধ্যে কেউ কেউ ইতিমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অধিকাংশ পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

লেবুখালী পুরনো বাজার সওজের সরকারি রাস্তার ওপর আশ্রয় নেওয়া ৩০-৩৫টি পরিবার খোলা আকাশের নিচে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ কাটাচ্ছে। বাহেরচর এলাকায় অব্যাহত ভাঙনের মুখে এখনো গ্রামের মায়ায় পড়ে রয়েছে শতাধিক ছিন্নমূল পরিবার। উত্তর মুরাদিয়া ও সন্তোষদির পাউবোর রাস্তায় আশ্রয় নেওয়া শতাধিক পরিবার চরম অর্থ ও খাদ্য সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

আংগারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান আহম্মেদ হাওলাদার জানান, গত শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এক সপ্তাহে বাহেরচর গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবারের বাড়িঘর নদীতে চলে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়া এ ইউনিয়নের প্রায় দুই থেকে আড়াইশ পরিবারের অসহায় মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

মুরাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর উল্লাহ জানান, লোহালিয়া নদীর ভাঙনে বিগত এক বছরে উত্তর মুরাদিয়া, সন্তোষদি, কালেখা, দক্ষিণ মুরাদিয়ার কলাগাছিয়া গ্রামের শতাধিক বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ভাঙন পরিদর্শনে টিম পাঠানো হয়েছে। ওই টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে ভাঙন রোধে কাজ শুরু হবে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত