রাজৈরে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে মুক্তা মণ্ডল (২০) নামে এক তরুণী অনশনে বসেছেন। উপজেলার কদমবাড়ি গ্রামের বাবু রায়ের বাড়িতে পাঁচ দিন ধরে তার এ অনশন। মুক্তা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বেদভিটা গ্রামের ইজিবাইক চালক রান্টু মণ্ডলের মেয়ে।
মুক্তা জানান, চার বছর আগে বাবু রায়ের ছেলে রাজধানীর স্ট্যাম্পফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্র সৈকত রায়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই বছর আগে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বাবার বাড়িতে থাকতেন। ছয় মাস আগে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় বাসা ভাড়া করে সৈকত তাকে নিয়ে যান। সৈকতের বাবা ইতালিপ্রবাসী; মা শেলী রায় সংসারের কর্তা। তিনি বিষয়টি জানার পর থেকেই ছেলেকে কুপরামর্শ দিতে থাকেন। মায়ের পরামর্শে সৈকত তাকে নির্যাতন করে তাড়িয়ে দেন এবং আত্মগোপন করেন। উপায় না পেয়ে গত শনিবার সৈকতের বাড়িতে এসে ওঠেন এবং স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে অনশন শুরু করেন। পরে ঘরে তালা লাগিয়ে সৈকতের মা-ও আত্মগোপনে চলে যান। আত্মগোপনে থেকে সৈকত ভাড়াটে গুণ্ডা পাঠিয়ে হুমকি এবং তাকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
কদমবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাস বলেন, ‘বাবু রায়ের ঘরে তালা লাগানো। মেয়েটিকে তার পরিবারের মুরব্বিদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। শিগগিরই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রাজৈর থানার ওসি মো. শাহজাহান বলেন, ঘটনাটি জানা নেই। তবে মেয়েটি চাইলে তাকে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
