সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে গতকাল শনিবার রাতে ঢাকা ক্লাবে প্রথম ‘পদ্মা-গঙ্গা-গোমতি লিভার সম্মেলন-২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন
তিনি।বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী সামনে রেখে ‘শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু, গর্বিত বাঙালির জয়যাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ফোরাম ফর দি স্টাডি অব দি লিভার, বাংলাদেশ এবং ভারতের লিভার ফাউন্ডেশন ওয়েস্ট বেঙ্গল ও হেপাটাইটিস ফাউন্ডেশন অব ত্রিপুরার যৌথ উদ্যোগে ঢাকা, আগরতলা ও কলকাতায় ‘পদ্মা-গঙ্গা-গোমতি লিভার সম্মেলনের’ আয়োজন করা হচ্ছে। দুই দিনব্যাপী প্রথম সম্মেলনটি হচ্ছে ঢাকায়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি অভিন্ন সত্তা। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। তার জীবনের আরাধ্য সাধনা ছিল পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্ত করে একটি শোষণহীন, বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মনে, প্রাণে, বিশ্বাসে, নৈতিকতা ও মূল্যবোধে ধারণ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের সাংবিধানিক মৌলিক চাহিদার অন্যতম স্বাস্থ্যসেবা। চিকিৎসাশাস্ত্রে সম্পৃক্ত সবাইকে এই মহান পেশার মর্যাদা ও মানোন্নয়নে আরও বেশি যতœশীল হতে হবে। পেশাদারত্বের উৎকর্ষ সাধন করে অমূল্য অবদান রেখে যাওয়ার ব্রত থাকতে হবে। যে ব্যক্তি তার অস্তিত্বের উৎস, শিকড়ের ইতিহাস জানে না, সেই ব্যক্তি দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করতে পারে না। এ জন্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে চিকিৎসকদের জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।’
শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর স্মরণার্থে বাংলাভাষী লিভার বিশেষজ্ঞদের তিনটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে ঢাকা, আগরতলা ও কলকাতায় তিনটি পদ্মা-গঙ্গা-গোমতি লিভার সম্মেলন আয়োজন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ আয়োজন প্রমাণ করে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অবিসংবাদিত বিশ্বনেতা।’
ফোরাম ফর দি স্টাডি অব দি লিভার, বাংলাদেশের অনারারি চেয়ারম্যান শ্যামলী নাসরিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মো. মুরাদ হাসান, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ এবাদুল করিম এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া
