জেলার পীরগঞ্জের ভেন্ডাবাড়ী তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে। হাজতে ১২ ঘণ্টা রাখার পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে গভীর রাতে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার রাতে ওই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে ভেন্ডাবাড়ী তদন্তকেন্দ্রাধীন উপজেলার বড়দরগাহ ইউনিয়নের চাপা গ্রামে দুই সন্তানের জননী গৃহবধূকে তার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে পার্শ্ববর্তী কুমেদপুর ইউপির কাঞ্চনপুর গ্রামের সহিদুল ইসলামের ছেলে এক সন্তানের
জনক মেরাজুল ইসলাম ও বড়দরগাহ ইউনিয়নের পার্বতীপুরের বাবলু মিয়ার ছেলে রানা মিয়াকে (১৯) ওই গৃহবধূর ঘরে আটক করে পাড়ার লোকজন। এ সময় অপর এক যুবক কৌশলে পালিয়ে যায়। রাতভর ওই বাড়িতে আটক থাকার খবর পেয়ে পরদিন রবিবার ভেন্ডাবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের এসআই শাহ আলম সঙ্গীয় কনস্টেবলসহ আটক ব্যক্তিদের নিয়ে হাজতে রাখে। এরপর পুলিশ ও গৃহবধূর পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় মাতবর গুর্জ্জিপাড়ার আবু হাসান, চাপাবাড়ীর শাহিন দেনদরবার করেন। রবিবার গভীর রাতে গৃহবধূর পরিবারকে এক লাখ ও পুলিশকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে সমঝোতা হয়। ফলে মামলা না করে ওই দুই যুবককে হাজত থেকে গভীর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ব্যভিচার আইনে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা নিতে পারত কি নাÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে ভেন্ডাবাড়ী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, কেউ বাদী না হওয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে আটক দুজনকে ছেড়ে দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি।
