দেশের পর্যটন খাতকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার সুপারিশ দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত বলে মনে করছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। তিনি বলেছেন, ‘পৃথিবীর সব দেশেই পর্যটন খাত সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকে। আমাদের পর্যটন খাত বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত না রেখে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনা উচিত।’
গতকাল শুক্রবার লালবাগ কেল্লায় আয়োজিত দুদিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সংসদীয় কমিটির এক বৈঠকে ‘দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিকাশ ও পর্যটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে’ দুইয়ে মিলে ‘একক’ মন্ত্রণালয় গঠনের সুপারিশ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে পর্যটন খাত যে মন্ত্রণালয়ের আওতায় আছে তারা খারাপ করছে, এটা বলব না। তবে এটি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় থাকলে সব ধরনের কাজে সমন্বয়টা আরও ভালো হতো। কাজে আরও গতিশীলতা আসত।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভূতাত্ত্বিক নিদর্শন যেকোনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যখন পর্যটকরা বেড়াতে যান, তখন সেদেশের প্রতœতাত্ত্বিক স্থাপনাগুলো তারা দেখতে যান। আমাদের এখান থেকে কেউ ভারতে গেলে তাজমহল, ভিক্টোরিয়া পার্ক দেখে। বাংলাদেশে বেড়াতে এলে পর্যটকরা লালবাগ কেল্লা, মহাস্থানগড়, ষাট গম্বুজ মসজিদ এসব নিদর্শন দেখতে যান।’
