ভারতীয় ক্রিকেটের দুঃসময়ে হয়েছিলেন অধিনায়ক। সেই সৌরভ গাঙ্গুলিই সংকটের মুহূর্তে ভারতীয় বোর্ডের হাল ধরছেন। ২৩ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন তিনি। গত রবিবার মুম্বাইয়ে বোর্ড সদস্যদের সভায় সর্বসম্মতভাবে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে সৌরভকে মনোনীত করা হয়। নতুন বোর্ড সচিব হয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহপুত্র জয় শাহ। আর সাবেক প্রেসিডেন্ট শ্রীনিবাসন যাকে বোর্ড প্রেসিডেন্ট করতে
চেয়েছিলেন সেই ব্রিজেশ প্যাটেল হতে চলেছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান। সবাই একক প্রার্থী।
লোঢা সংস্কারের ফলে ভারতীয় বোর্ড ৩৩ মাস ধরে সুপ্রিম কোর্টের মনোনীত সিওএ’র তত্ত্বাবধানে চলছিল। সৌরভ গতকাল মুম্বাইয়ে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর বলেছেন, ‘গত তিন বছর ধরে বোর্ডের যা অবস্থা চলছে, তাতে এটাকে ইমার্জেন্সিই বলা যায়। আমাদের আটজনের যে দল তৈরি করা হয়েছে, সেই দল নিয়ে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনে সুস্থিতি ফেরাতে হবে। বিশ্বসেরা করতে হবে ভারতীয় ক্রিকেটকে।’ দায়িত্ব নেওয়ার পর বিসিসিআইয়ের লক্ষ্য কী হবে সে সম্পর্কে সৌরভের মন্তব্য, ‘শুরুতেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ওপর জোর দেব। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটই যেকোনো দেশের ক্রিকেটের মেরুদণ্ড। গত তিন বছর ধরে আমি বিভিন্ন লেখায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছি এবং তাদের পারিশ্রমিকও বেড়েছে। আমি শুরুতে এর ওপরই জোর দেব।’ তবে এত কিছু করার জন্য সৌরভ মাত্র ১০ মাস হাতে সময় পাবেন। তারপরই লোঢা সংস্কারের নিয়ম অনুসারে তাকে তিন বছরের বাধ্যতামূলক কুলিং অফে থাকতে হবে। এরপর আবার তিনি বোর্ড প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন।
