বাংলাদেশে ছাত্ররাজনীতির গৌরবোজ্জ্বল অতীত আছে। এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকার বিরুদ্ধে রাজপথে সংগ্রাম করেছেন। স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের বিরুদ্ধে তারা করেছেন সাহসী প্রতিবাদ। কিন্তু সমাজ যত ভোগবাদী হয়েছে, ছাত্ররাজনীতির মানের অধঃপতন ঘটেছে। ছাত্ররাজনীতি যখন পেশিশক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্র হয়ে যায় তখন বুঝতে হয় তা আর রাজনীতি নেই। কারণ প্রকৃত রাজনীতিতে গুরুত্ব পায় বিতর্ক আর আলোচনা। সমাজে বিভিন্ন মতের অনুসারীদের মধ্যে যৌক্তিকভাবে বিতর্ক হবে। যে মত আর আদর্শ অন্ধত্ব, অসহিষ্ণুতা আর স্বার্থপরতার বিরুদ্ধে থাকবে সেই চিন্তাই হবে সমাজের জন্য মঙ্গলজনক। যদি সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষও সংকীর্ণ চিন্তার পক্ষে থাকে তবুও অন্ধচিন্তা আর অসহিষ্ণুতা গ্রহণযোগ্য হবে না। তখন সমাজের বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যুক্তিবোধ সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। প্রকৃত এবং সুস্থ রাজনীতিতে জোর-জবরদস্তি, দমন-পীড়ন করা হয় না। কোনো রাজনৈতিক সংগঠন যদি ক্ষমতার কদর্য দাপট দেখিয়ে অন্য রাজনৈতিক সংগঠন বা সাধারণ মানুষদের দমন করতে চায় তবে বুঝতে হবে সেই সংগঠন রাজনীতির অর্থ জানে না। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যদি দেশের মানুষের আর সমাজের সেবা করার পরিবর্তে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে টাকা কামানোতে আগ্রহী হন, তাহলে বুঝতে হবে তারা রাজনীতিবিদ হতে পারেননি। কারণ রাজনীতি করার মাধ্যমে অনেক টাকা কামানোর এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার কোনো সুযোগ নেই।
সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ছাত্রলীগের বুয়েট শাখার বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে। যে নিষ্ঠুরতার সঙ্গে বুয়েট ছাত্রলীগের এই নেতাকর্র্মীরা আবরারকে একটি কক্ষের ভেতর পিটিয়েছিল, এবং পেটানোর পর আবরারের নিথর দেহ ছাত্রাবাসের সিঁড়িতে রেখে দিয়েছিল, সেই নৃশংস ঘটনার বিবরণ হতবাক করেছে দেশের মানুষদের। কিছু তরুণ যারা কিনা দেশের একটি প্রখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তারা যদি এমন হিংস্র আর অনুভূতিহীন হয় এবং এমন অমানবিক আচরণ করতে পারে তখন এই সমাজ কতটা অসুস্থ আর বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে তা চিন্তা করে আমরা বিপন্ন বোধ করি। সমাজে টিকে থাকা কোন অশুভ চর্চা এই তরুণদের মধ্যে এমন নির্মম আচরণ করার মানসিকতা তৈরি করেছে? এই তরুণরা সবাই তো ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী। সেই ছাত্র সংগঠন এই তরুণদের কেমন আচরণ করা শিখিয়েছে? কোনো ছাত্র সংগঠন যদি সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকে তাহলে কি সেই সংগঠনের বিভিন্ন পদে থাকা নেতারা নির্দয়ভাবে কয়েকজন মিলে একজন ছাত্রকে পিটিয়ে মেরে ফেলার সাহস দেখাতে পারে?
তাই প্রশ্ন করতে হয়, আমাদের দেশে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোন ধরনের আচরণ করার জন্য এবং কেমন মানসিকতা অর্জনের জন্য উৎসাহিত করা হয়? কোন ধরনের ছাত্রছাত্রীরা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন করার সুযোগ পায়? গত কয়েক দশক ধরেই দেখা যাচ্ছে, যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সেই দলের ছাত্র সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য ছাত্রাবাসগুলো দখল করে নেয়। প্রধান বিরোধী দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে এলে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের আক্রমণ করেন। এমন চর্চা অবশ্যই ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষমতার কদর্য দাপট দেখানোর মনোভাব এবং অভ্যাস তৈরি করেছে। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কখনো পাওয়া যায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজির সঙ্গে তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ আসে। ক্ষমতায় থাকা দলের ছাত্র সংগঠনে যখন যারা নেতা থাকেন কর্মীরা দলবেঁধে তাদের প্রতি প্রকাশ করেন আনুগত্য। নেতা বদলে গেলে আবার স্লোগান ওঠে নতুন নেতাদের নামে। কিন্তু নেতারা কোনো অন্যায় করলে সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে সেই অন্যায়ের সমালোচনা করার রীতি কি আমরা দেখতে পাই?
দুঃখজনক যে আমাদের দেশে যখন যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে তাদের মধ্যেই ক্ষমতার দাপট দেখানোর প্রবণতা দেখা যায়। এই দেশের মানুষ পাকিস্তান আমল থেকেই গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে। কিন্তু গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর যে নিয়ম আছে সেই নিয়ম আমাদের দেশের রাজনীতির অঙ্গনে এখনো অবহেলিত। দেশের রাজনৈতিক নেতারা প্রায়ই অন্য দলের নেতাদের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করে বক্তব্য দেন। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে টিকে থাকা বৈরী সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক ক্ষমতা অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা, রাজনৈতিক দলে বিভিন্ন পদ পাওয়ার জন্য ক্ষমতাশালী নেতাদের তোষামোদ করার প্রবণতা প্রভৃতি নেতিবাচক দিকের ক্ষতিকর প্রভাব দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের আচরণেও আমরা দেখতে পাচ্ছি। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছাত্রছাত্রীরা রাজনৈতিকভাবে সচেতন হবে তাই স্বাভাবিক। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের তারা জানাবে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, বিশ্বের এবং দেশের সমসাময়িক রাজনীতির বিভিন্ন দিক। উঁচু মানের শিক্ষা প্রদানের পরিবেশ যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সে জন্য তারা কাজ করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে তারাই কথা বলবে, তারা প্রতিবাদী হবে বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে হল দখল করা, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নির্যাতন করা এবং তাদের দলীয় মিছিলে যেতে বাধ্য করা, টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি-সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রভৃতি অন্যায় আচরণ অবশ্যই রাজনৈতিক আচরণ নয়। এই ধরনের অন্যায় কাজের সঙ্গে যারা জড়িত হতে পারে তারা দুর্বৃত্ত। প্রকৃত রাজনীতির সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।
এক সময় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশের বড় রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হতো। কখনো একই সংগঠনের দুই পক্ষের মধ্যেও গুলিবিনিময় হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যে দল ক্ষমতায় এসেছে তাদের ছাত্র সংগঠন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একক আধিপত্য রাখায় এখন আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই সংগঠনের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ না হলেও ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের ক্ষমতার দাপট দেখানোর চর্চা টিকে আছে। তাদের অন্যায়ভাবে ক্ষমতা ব্যবহারের কারণে বিপদগ্রস্ত হতে হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। বুয়েটের হলে যখন ছাত্রলীগের সেই নেতাকর্মীরা আবরারকে নির্দয়ভাবে পেটাচ্ছিল, তখন হলের সাধারণ ছাত্ররা আবরারকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসার সাহস দেখায়নি। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের সেই নেতাকর্মীরা এমন হিংস্র আচরণ করার সাহস পেয়েছিল কোন কারণে? সমাজের কল্যাণের জন্য কাজ করাই রাজনীতির উদ্দেশ্য। কিন্তু রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হওয়া যদি কিছু মানুষকে অবাধে দুর্নীতি করার, অন্যকে হিংস্রভাবে আক্রমণ করার সাহস এবং সুযোগ দেয় তাহলে আমরা দেখব রাজনীতির নামে সমাজে টিকে থাকছে অরাজকতা আর অত্যাচার। আবরারকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর বুয়েটের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যমান ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবির কারণে বুয়েটে ছাত্র এবং শিক্ষক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যে দেশে ছাত্ররাজনীতির উজ্জ্বল ইতিহাস আছে সেই দেশে এখন ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা জরুরি কিনা এ ব্যাপারে যুক্তি দিয়ে চিন্তা করা দরকার।
সব ছাত্র সংগঠনই হল দখলের রাজনীতি করে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন প্রগতিশীল রাজনীতিও করে, এবং সেই সব সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও পাওয়া যায় না। যদিও তারা তাদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা, ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা, বই পড়ার অভ্যাস, বক্তব্যধর্মী নাটক-চলচ্চিত্র দেখার আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারছে কি না সেই প্রশ্ন করা যায়। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনের প্রভাবই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেশি, আর এসব ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন সদস্য ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নানা অপকর্মের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যুক্ত হওয়ার ফলে ছাত্ররাজনীতির প্রতিই মানুষের মনে একটি বিরূপ ধারণা তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক রাজনীতির প্রতিও অনেক মানুষের সমর্থন আছে তা বলা যায় না। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুসারী হয়ে শিক্ষকরা যখন রাজনীতি করেন, তখন তাদের পক্ষে কি বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া সম্ভব হয়? বা বিদ্যমান সমাজব্যবস্থার নানা অসংগতির কঠোর সমালোচনা কি রাজনৈতিক দলের অনুসারী শিক্ষকরা করতে পারেন? কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রাধান্য পাবে জ্ঞানচর্চা, মুক্তচিন্তা আর যৌক্তিক বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষকরা চিন্তাশীল হবেন তাই প্রত্যাশিত। আলোকিত মনের মানুষরা কখনই অন্যায় দেখলে নিজ স্বার্থের জন্য নীরব
থাকবেন না এবং অন্যায় প্রশ্রয় দেওয়া ক্ষমতাশালীদের লেজুড়বৃত্তি করবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে তাই এমন রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই যে রাজনীতির মাধ্যমে অন্যায় করা হয়। অন্যায় ঘটতে দেখলে অন্যায়ের সমালোচনা না করে নীরব থাকাও বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার পরিবর্তে প্রকৃত ছাত্ররাজনীতি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নিলেই শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। প্রকৃত ছাত্ররাজনীতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি করবে রাজনৈতিক সচেতনতা এবং নিজ দেশের ইতিহাস আর সংস্কৃতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা। সমাজে কত বিভিন্ন রূপে শোষণ টিকিয়ে রাখা হয়েছে, জনগণকে কীভাবে যুক্তি দিয়ে, বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা করার জন্য অনুপ্রাণিত না করে তাদের কেবল হালকা আর চটুল সাংস্কৃতিক উপাদান গ্রহণ করতে অভ্যস্ত করে তোলা হচ্ছে আর এর ফলে সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনেকে প্রশ্ন করছে নাÑ রাজনৈতিকভাবে সচেতন হলেই মানুষ এই বিষয়গুলো বুঝতে পারবে। আমাদের দেশে ছাত্রদের আন্দোলন আর সংগ্রামের ইতিহাস, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিয়ে জানাতে হবে। তখন ছাত্রছাত্রীরা অনুধাবন করবে অতীত আর বর্তমান সময়ের ছাত্ররাজনীতির পার্থক্য। শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী করে তোলার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির চর্চা থাকতেই পারে। কিন্তু ক্ষমতার কদর্য দাপট দেখানো ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতেই হবে। থামাতে হবে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে বিভিন্ন ধরনের অন্যায় আর অপরাধ করার অশুভ চর্চা। রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা যদি চান যে তাদের ছাত্রসংগঠনে কেবল মেধাবী, অনুভূতিশীল, রুচিশীল এবং সৎ ছাত্রছাত্রীরাই থাকবে এবং তাদের ছাত্র সংগঠন অন্যায়ভাবে ক্ষমতা ব্যবহার করবে না তাহলেই প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির সুফল সমাজকে উপকৃত করবে। আর বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা যদি অন্যায় কাজ করতেই থাকে তার দায় দেশের রাজনৈতিক নেতানেত্রীদেরও বহন করতে হবে।
লেখক
অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
naadir. junaid@gmail. com
