নারায়ণগেঞ্জর আড়াইহাজারে বাস খাদে পড়ে দুই যাত্রী, সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাসের চাকা খুলে মোটরসাইকেলের আরোহী এবং নাটোরের বড়াইগ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
নারায়ণগেঞ্জর আড়াইহাজারে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মেঘালয় পরিবহনের একটি বাস খাদে পড়ে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন ঝিনাইদহ এলাকার হায়দার আলীর ছেলে শহীদুল্যাহ (৫৫) ও স্থানীয় পাঁচরুখী পশ্চিমপাড়া এলাকার তোঁতা মিয়ার ছেলে নুরে আলম (৩০)। এ ছাড়াও আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে নরসিংদীর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসটি ঢাকা থেকে নরসিংদীর উদ্দেশে যাচ্ছিল বলে আড়াইহাজার থানার এসআই আশাদ জানিয়েছেন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের স্থানীয় ছনপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের ফুলতলা মোড়ে বিআরটিসির বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছে।
শ্যামনগর থানার এসআই হাবিবুর রহমান খান জানান, মুন্সীগঞ্জ থেকে খুলনাগামী বিআরটিসি বাস সকাল সোয়া ৮টার দিকে ফুলতলা এলাকায় এসে সামনের একটি চাকা খুলে যায়। এসময় শ্যামনগর থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে মোটরসাইকেল চালক হায়বাতপুরের গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে বাবলুর রহমান (৫৫) ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নাটোরের বড়াইগ্রামে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মোতাহার আলী (৬০) নামে এক নৈশপ্রহরীর মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আহম্মেদপুর বাসস্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মোতাহার আলী আহম্মেদপুর গ্রামের মৃত চাঁদ মিয়ার ছেলে। তিনি আহম্মেদপুর বাজার ও বাসস্ট্যান্ড এলাকার নৈশপ্রহরী ছিলেন।
