অর্থনৈতিক সংস্কার ও প্রেসিডেন্ট সেবাস্তিয়ান পিনেরার পদত্যাগ দাবিতে লাতিন আমেরিকার দেশ চিলিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। প্রাণহানি সত্তেও গত শুক্রবার বিক্ষোভে ১০ লাখের বেশি মানুষ অংশ নেয়। জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে রাজধানী সান্তিয়াগোর রাজপথের এ সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে দেশটির ইতিহাসে রেকর্ড বলে খবর দিয়েছে এএফপি।
কয়েক দশকের মধ্যে দেশটিতে এমন সংকট দেখা যায়নি। বিক্ষোভ ক্রমেই ব্যাপক ও সহিংস আকার ধারণ করছে। এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ তদন্ত দল পাঠিয়েছে।
এর আগে বিক্ষোভের প্রথম দিকে সান্তিয়াগোর একটি পোশাক কারখানায় আগুন দেয় আন্দোলনকারী। মেট্রো সার্ভিসগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়। সুপারমার্কেটগুলোতে আগুন দেওয়া হয়। লুট করা হয় স্থানীয় ব্যবসায়প্রতিষ্ঠানে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সান্তিয়াগোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সরকার। মোতায়েন করা হয় প্রায় ২০ হাজার পুলিশ ও সেনাবাহিনী। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদুনে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে স্থিতিশীল দেশ হিসেবে পরিচিত চিলি। কিন্তু জীবনযাত্রার মাত্রাতিরিক্ত ব্যয়কে কেন্দ্র করে বহুদিন অসন্তোষ বাড়ছে। সেই অসন্তোষের আগুনে ঘি ঢেলে দেয় মেট্রোরেলের ভাড়া বৃদ্ধি। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারবিরোধী আন্দোলনে নামে চিলির জনগণ।
