পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় পৌঁছেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির লাগামহীন দামে দিশেহারা নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ভোক্তারা। এই অবস্থায় ৪৫ টাকা কেজি দরের টিসিবির ন্যায্যমূল্যের পেঁয়াজই তাদের ভরসা।
গতকাল সোমবার আজিমপুর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে টিসিবি’র ট্রাককে ঘিরে দেখা যায় নারী-পুরুষের দীর্ঘ লাইন। তবে সে লাইনও ছিল ক্ষণস্থায়ী। পেঁয়াজ শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেককেই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে।
আজিমপুরে দেখা যায়, টিসিবি থেকে একজন ক্রেতাকে সর্বোচ্চ ২ কেজি দেওয়ার কথা থাকলেও ১০০ টাকায় দেওয়া হচ্ছে ২ কেজি ২০০ গ্রাম পেঁয়াজ। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। আব্দুল হক নামে এক ক্রেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাজারে দাম বেশি হওয়ায় লাইনে দাঁড়িয়ে পেঁয়াজ নিয়েছি। মাত্র দুই কেজি পেঁয়াজ দিলেও আমরা খুশি। তবে যদি আরও বাড়িয়ে দেওয়া যেত তাহলে আরও ভালো হতো। আর রফিকুল ইসলাম নামে পেঁয়াজ না পাওয়া অন্য একজন ক্রেতা বলেন, বাজারে পেঁয়াজের দাম চড়া। তাই লাইনে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু ট্রাকে পেঁয়াজ অল্প আনায় তা শেষ হয়ে গেছে। তাই ফিরে যাচ্ছি।’
এ বিষয়ে ওই ট্রাকের বিক্রেতা বলেন, যে কোনো এলাকার জন্য তাদের পণ্যের পরিমাণ নির্ধারিত থাকে। এছাড়া পেঁয়াজের দাম বাইরে বেশি হওয়ায় অসংখ্য মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে তা সংগ্রহ করছেন। তবে যত মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েছেন তত পেঁয়াজ দেওয়ার সামর্থ্য আমাদের নেই। টিসিবি চাইলে বাড়াতে পারে।’
