মুখ বেঁধে নদীর পাড়ে নিয়ে শিশু ধর্ষণ

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৪৪ পিএম

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় ফুফুর বাড়ি থেকে ফেরার পথে ১২ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত রবিবার রাতে উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের বড়গাড়া এলাকার মগড়া নদীর পাড় থেকে শিশুটিকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাকে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় রবিবার রাতে রুহুল আমীন নামে (২২) একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে মামলা করেছেন।

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার এশার নামাজের পর পার্শ্ববর্তী ফুফুর বাড়িতে মোবাইলের চার্জার ফেরত দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পেছন থেকে শিশুটিকে গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে মুখ বেঁধে নদীর পাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে বড়গাড়া এলাকার রব্বানীর ছেলে রুহুল আমিন ও তার এক সহযোগী স্বাধীন (১৮)। পরে শিশুটির চিৎকার ও কান্নাকাটি শুনে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে। রক্তক্ষরণের ফলে রাতেই মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটিকে চিকিৎসা দেন।

নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. একরামুল হাসান বলেন, শিশুটিকে নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রক্তক্ষরণের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে গাইনি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তার ওপর সহিংসতা হয়েছে প্রাথমিক আলামতে বোঝা যায় বলে তিনি জানান।

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি মো. তাজুল ইসলাম জানান, প্রধান আসামি ধর্ষক রুহুল আমীনকে পালানোর সময় নেত্রকোনা সাতপাই রেলস্টেশন থেকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। গতকাল দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আসামি তার সহযোগী একই এলাকার খোকন মিয়ার ছেলে স্বাধীনকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত