সুন্দরবনে রাস উৎসবে যাওয়ার পথনির্দেশনা

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৪০ এএম

বঙ্গোপসাগর পাড়ে সুন্দরবনের দুবলার চরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব। আগামী ১০ নভেম্বর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই উৎসব।

এ উৎসবকে ঘিরে দর্শনার্থীদের সুন্দরবনের অভ্যন্তরের নদী-খাল হয়ে যাতায়াতের জন্য নির্দিষ্ট ৮টি নৌপথ নির্ধারণ করে দিয়েছে বন বিভাগ।

বন বিভাগের চিহ্নিত ও বেঁধে দেওয়া এই পথ দিয়েই যাতায়াত করতে হবে সকলকে। এর বাইরে কেউ অন্য পথে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পূর্ব সুন্দরবন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান।

তিনি জানান, নির্ধারিত পথগুলো হলো পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী অথবা চাঁদপাই স্টেশনের ত্রিকোণ আইল্যান্ড হয়ে দুবলার চর। শরণখোলা স্টেশনের বগী-বলেশ্বর-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর। শরণখোলা স্টেশন-সুপতি স্টেশন-কচিখালী-শেলার চর হয়ে দুবলার চর।

image

পশ্চিম সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী, কোবাদক থেকে বাটুলা নদী-বল নদী-পাটকোস্টা খাল ভায়া হংসরাজ নদী হয়ে দুবলার চর। কদমতলা থেকে ইছামতি নদী, দোবেকী হয়ে আড়পাঙ্গাসিয়া-কাগা দোবেকী হয়ে দুবলার চর।

কৈখালী স্টেশন হয়ে মাদার গাং-খোপড়াখালী ভারানী, দোবেকী হয়ে আড়পাঙ্গাসিয়া-কাগাদোবেকী হয়ে দুবলার চর।

কয়রা, কাশিয়াবাদ, খাসিটানা, বজবজা হয়ে আড়ুয়া শিবসা-শিবসা নদী-মরজাত হয়ে দুবলার চর। এবং নলিয়ান স্টেশন হয়ে শিবসা-মরজাত নদী হয়ে দুবলার চর।

মূলত রাস মেলা চলাকালে সুন্দরবনে চোরা শিকারী ও কাঠ পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে এই রুট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

image

যাতায়াতকারীদের নিরাপত্তা ও বন অপরাধ দমনে এবারও এই পথগুলোতে বন বিভাগের পাশাপাশি পুলিশ, নৌপুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও কোস্টগার্ডের টহল।

মেলার উদ্দেশ্যে যাত্রাকারী দর্শনার্থীদের অবশ্যই যে কোনো একটি পথ ধরেই দুবলায় যেতে হবে। মাঝ পথে গতি বদলীয়ে কেউই অন্য পথে প্রবেশ করতে পারবেন না। দর্শনার্থীরা তাদের নৌযান নিয়ে চলার পথে চেকপোস্ট ছাড়া অন্য কোথাও থামতে ও নামতে পারবেন না।

এ জন্য পথ নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণে বন বিভাগের সদস্যরা ডিউটিতে থাকবেন। তাদের ব্যবহৃত সকল নৌযানে বন বিভাগের অনুমতিপত্র (বিএলসি) টানিয়ে রাখতে হবে।

image

এছাড়া অনুমতি নিতে আগেই দর্শনার্থীদের সঙ্গে করে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা নাগরিক সনদপত্র সঙ্গে আনতে হবে।

বন বিভাগের ঘোষণানুযায়ী বনের পরিবেশ নষ্টকারী বস্তু, শব্দযন্ত্র ব্যবহার, পটকা-বাজি ফুটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য, দেশীয় যে কোনো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত