বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরির ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে চুরির পর গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত নবজাতকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি লিখিতভাবে পুলিশকে জানিয়েছে। এদিকে নবজাতকের চাচা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, বগুড়ার কাহালু উপজেলার নলঘরিয়া গ্রামের প্রসূতি নাহিদা আক্তার প্রসবব্যথা নিয়ে মঙ্গলবার রাতে শজিমেক হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি হন। বুধবার বিকেলে তিনি এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও মেডিকেল ফাঁড়ি পুলিশ জানিয়েছে, বেলা ৩টার দিকে লেবার রুমের নার্সরা নবজাতককে প্রসূতির সঙ্গে আসা আবেদা বেগম নামে এক আত্মীয়ের হাতে তুলে দেন। নবজাতককে নিয়ে ওয়ার্ডে যাওয়ার পথে অজ্ঞাত এক নারী আবেদা বেগমকে বলে প্রসূতির জন্য ওষুধ লাগবে, এ জন্য তাকে টাকা দিয়ে নবজাতক কোলে নেয়। তিনি ওষুধ কিনতে যাওয়ার পর নবজাতকসহ ওই নারী উধাও হয়।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, নবজাতক চুরির বিষয়টি বেলা ৩টার পর তাদের জানানো হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে ফাঁড়ি পুলিশকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়। ডা. ওয়াদুদকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিতে হাসপাতালের গাইনি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. নফসি খাতুন, সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. ফৌজিয়া নাসরিন ও হাসপাতালের ডেপুটি মেট্রন সেলিনা পারভীন সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
