চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে বিএনপি নেতাকর্মীদের চাপে লিফট আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ প্রায় ২০ নেতাকর্মী একই লিফটে উঠলে তা আটকে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।
চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় বিস্ফোরণের পর দেয়ালধসে আহতদের দেখতে গেলে সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের মাঝখানের একটি লিফটে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় লিফটে আরো ছিলেন নগর বিএনপির সভাপতি শাহদাত হোসেন, বিএমএ চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি খুরশিদ জামিল চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
তিনি অভিযোগ করেন, কোনো রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
তবে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে শাহদাত হোসেন বলেন, ‘আহতদের দেখে পাঁচতলার অর্থোপেডিক বিভাগ থেকে আমরা লিফটে নামছিলাম। দোতলায় এসে লিফট ছিঁড়ে দ্রুত নেমে যায়। নিচতলায় বিকট শব্দে পড়ে যায়। লিফটটি নিচের ফ্লোরের আরো এক হাত নিচে চলে যায়। পরে দরজা আটকে যায়। অনেক কষ্টে আমাদের বের করা হয়।’
চমেক পুলিশের ওসি জহিরুল ভুঁইয়া বলেন, প্রায় ২০ জন নেতাকর্মী একই লিফটে ওঠার কারণে তা আটকে যায়। এটা বড় কোনো দুর্ঘটনা নয়। কেউ আহতও হননি।
জানতে চাইলে হাসপাতালের উপপরিচালক আখতারুল ইসলাম বলেন, ধারণক্ষমতার বেশি লোক লিফটে ওঠায় তা আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। কেউ আহতও হননি। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।
