যাত্রী ও পণ্য পরিবহন ধর্মঘটের কারণে মোংলা বন্দরে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ধর্মঘটে মোংলা বন্দরের শিল্প এলাকার ২০টি এলপিজি ফ্যাক্টরি, ৫টি সিমেন্ট ফ্যাক্টরিসহ ইপিজেডের পণ্য পরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় মোংলা বন্দর জেটি থেকে কোন আমদানি পণ্য বের হতে পারেনি। অপরদিকে রপ্তানিযোগ্য পণ্যও বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না। এতে চরম বিপাকে পড়েছে বন্দর ব্যবহারকারীরা।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ট্রাফিক ম্যানেজার মো. সোহাগ বলেন, পণ্য পরিবহন ধর্মঘটের কারণে মোংলা বন্দর জেটি থেকে সড়ক পথে দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে বন্দরে বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলেও তিনি জানান।
মোংলা ইপিজেডের মহাব্যবস্থাপক মো. মাহাবুবুল আলম সিদ্দিকী বলেন, ট্রাক-ট্রলি চলাচল বন্ধ থাকায় এর প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে। তবে ইপিজেডের সকল কলকারখানায় কাজ চলছে।
বুধবার তৃতীয় দিনের মতো মোংলা-খুলনা, মোংলা-রূপসা, মোংলা-বাগেরহাটসহ সকল রুটে যাত্রীবাহী বাস-মিনিবাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি এখন চরমে পৌঁছেছে।
ট্রাক চালক নজরুল শেখ ও হাফিজ উদ্দিন বলেন, নতুন আইনে ৫ লাখ টাকা জরিমানার যে বিধান করা হয়েছে তা আমরা মানি না। এ আইন মেনে গাড়ি চালানো সম্ভব না। তাই আমরা গাড়ি বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছি এবং আইন শিথিলের দাবি জানাচ্ছি।
