মহারাষ্ট্রে ‘মহাপরাজয়’ হল বিজেপির। সরকারি দলকে হটিয়ে রাজ্যটির ক্ষমতায় যাচ্ছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। বৃহস্পতিবার শিবাজি পার্কে শপথ নেবেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী পদে দ্বিতীয়বার ৮০ ঘণ্টা নাটকীয় সময় কাটানোর পর, আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার পরীক্ষার একদিন আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার পদত্যাগ করেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সঙ্গে সরে দাঁড়ান উপমুখ্যমন্ত্রী পদে থাকা অজিত পাওয়ার।
এই অজিতকে কয়েক দিন ধরে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলছিল তার দল এনসিপির সমর্থকেরা। কারণ স্রোতের বিপরীতে গিয়ে তিনি বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধেন। পদত্যাগের পর তিনি আবার দলের কাছে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শনিবার হঠাৎ করে সকাল ৭.৫০টায় শপথ গ্রহণ করেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং অজিত পাওয়ার, সেটিকে অগণতান্ত্রিক এবং অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়।
অতিসত্বর আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট, যা লাইভ সম্প্রচারিত হবে, যাতে দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেন।
সুপ্রিম কোর্টের এমন নির্দেশের পরে বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তারপরেই দেবেন্দ্র ফড়নবিশের কাছে মেসেজ যায়। তিনি পদত্যাগ করেন।
রাতে মুম্বাইয়ের পাঁচতারা হোটেলে শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেস বিধায়কদের বৈঠকে জোটের নেতা নির্বাচিত হন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে, উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন এনসিপির জয়ন্ত পাতিল ও কংগ্রেসের বালাসাহেব থোরাট। রাত দশটা নাগাদ রাজ্যপালের কাছে গিয়ে সরকার গড়ার দাবি জানান জোটের নেতারা। সেই দাবি মেনে বৃহস্পতিবার শিবাজি পার্কে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে উদ্ধবকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন রাজ্যপাল।
