হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৬ কেজি ৬০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকারসহ মো. মোরশেদ হোসেন নামে এক যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া আমদানি নিষিদ্ধ ১৪৮ কার্টন সিগারেট ও ২৫ বোতল যৌন উত্তেজক ওষুধসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ।
বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্বর্ণালংকারসহ মো. মোরশেদ হোসেনকে আটক করেন। আটক হওয়া স্বর্ণের বাজার মূল্য ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। এ ছাড়া, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ওমর ফারুক ও জাহিদ হোসেনকে প্রায় ৪ লাখ টাকার আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট ও যৌন উত্তেজক ওষুধসহ আটক করা হয়।
কাস্টমস হাউসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে বিমানবন্দরে অবতরণ করে মোরশেদ হোসেন দ্রুত গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় কাস্টম কর্মকর্তারা তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা একটি শপিং ব্যাগ ও লাগেজ স্ক্যানিং করে স্বর্ণের আলামত পাওয়া যায়। লাগেজের ভেতর বিশেষ কায়দায় স্বর্ণালংকার লুকিয়ে রেখেছিল মোরশেদ। পরে ৬ কেজি ৬০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মূল্য ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। তিনি দুবাই থেকে আসছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে। মোরশেদ আন্তর্জাতিক চোরাকারবারি দলের সদস্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিমানবন্দর আর্মড ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস অ্যান্ড মিডিয়া) আলমগীর হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে শারজাহ থেকে আসা ওমর ফারুক ও জাহিদ হোসেনের কাছ থেকে ১৪৮ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। আটক সিগারেটের মূল্য সাড়ে প্রায় ৪ লাখ টাকা। তাছাড়া তাদের কাছ থেকে ২৫ বোতল যৌন উত্তেজক ওষুধও পাওয়া যায়। ২ জনকে বিমানবন্দর থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
