১৫ দফা দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো পেট্রোল পাম্পগুলোতে কর্মবিরতি চলছে। সোমবার সকাল থেকে ঝিনাইদহের শহরে পাম্পগুলোতে বন্ধ রয়েছে পেট্রোলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল বিক্রি।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে মোটরসাইকেল, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের মালিক শ্রমিকরা। অনেকে শহর থেকে দূরের উপজেলায় যেতে পারছেন না।
তেলের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কিছু বাস-ট্রাক। পাম্পগুলোতে তেল নিতে গিয়ে চালকদের ফিরে যেতে দেখা গেছে। তবে এখনও স্বাভাবিক আছে দূরপাল্লার যান চলাচল। কর্মবিরতি অব্যাহত থাকলে এটিও বন্ধ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
ঝিনাইদহ থেকে হরিণাকুন্ডুগামী মোটরসাইকেল চালক মশিয়ার রহমান বলেন, আমি নিয়মিত সকালে হরিণাকুন্ডু উপজেলায় গিয়ে অফিস করি। প্রতিদিনের মতো আজ সকালে তেল নিতে এসে দেখি তেল বিক্রি বন্ধ। তেল নিতে না পারলে আজ অফিসে যেতে পারব না। তাই এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হওয়ার দরকার।
উল্লেখ্য, ট্যাংকলরির ভাড়া বৃদ্ধি, জ্বালানি তেল বিক্রিতে ৭.৫ ভাগ কমিশন, প্রিমিয়ান পরিশোধ সাপেক্ষে ট্যাংকলরি শ্রমিকদের ৫ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা চালুসহ ১৫ দফা দাবি আদায়ে গত রবিবার থেকে খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সকল জেলায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ও জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা।
