বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ইমোজি হবে ভবিষ্যতের ভাষা। ইদানীং যুবক-যুবতীরা শব্দগুলো কম ব্যবহার করে ইমোজির মাধ্যমে আবেগ প্রকাশ করে। তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শিশুদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। ইমোজি ব্যবহারে তাদের ভাষার ওপর জোর এবং ব্যাকরণকে দুর্বল করছে। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে, যেখানে বলা হচ্ছে ব্রিটেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইমোজি ব্যবহারের জন্য কোর্স করতে পারবেন। এটি কিংস কলেজ, এডিনবার্গ এবং কার্ডিফসহ সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা, বিপণন, মনোবিজ্ঞান এবং রাজনীতির কোর্সে অন্তভু©ক্ত করা হয়েছে।
ইমোজি সম্পর্কে পাঁচ তথ্য
ইমোজি হলো একটি ফটোগ্রাফ, যা জাপানি শব্দ ‘আই’-এর অর্থ ‘পিকচার’ (চিত্র) এবং ‘মোজি’-এর অর্থ ‘চরিত্র’ নিয়ে গঠিত। এমনকি এই শব্দটি ইংরেজি শব্দ ইমোশন এবং ইমোটিকনের সঙ্গেও সাদৃশ্যপূর্ণ।
১৯৯০-এর দশকে ইমোজি চালু হয়েছিল। এটি অ্যাপলের আইফোন থেকে প্রথমে পাঠানো হয়েছিল। অ্যাপল তাদের কিবোর্ডে একে প্রথমে যুক্ত করেছিল।
এ মুহূর্তে ৩ হাজার ১৭৮টি এমজি প্রচলিত আছে, যা বর্তমানে বিশ্বে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৯০ মিলিয়ন মানুষ প্রতিদিন বিশ্বজুড়ে ইমোজি ব্যবহার করে। এ কারণে শব্দের নির্বাচন আগের চেয়ে কিছুটা কম হচ্ছে বলে মোট বিশেষজ্ঞদের।
১০ বছর আগে দাবি করা হয়েছিল ইমোজি ভাষা নষ্ট করছে, সে সময় কেবল ৬২৫টি ইমোজি চালু ছিল। আজ ১০ বছর পরে এসে এর সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে।
