ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আলমগীর হোসেন (৩৮) নামে এক হাজতির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে তার ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ।
ময়নাতদন্ত শেষে তিনি বলেন, আলমগীরের পশ্চাদাংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া শরীরের অন্য কোথাও আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তার হার্টটিও সাধারণের আকারের চেয়ে বড় ছিল। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে তার হার্টের সমস্যা ছিল। নিহতের রক্ত, ভিসেরাসহ হার্টের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন এলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহত আলমগীর হোসেনের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা সদর। দুই মেয়ে নিয়ে পরিবার নিয়ে তিনি উত্তরা ১০নম্বর সেক্টর ফুলবাড়িয়া এলাকায় থাকতেন। তিনি পেশায় ছিলে প্রাইভেটকার চালক।
নিহতের ভাই রাজ্জাক জানিয়েছেন, কারাবন্দী অবস্থায় ভাইয়ের মারা যাওয়ার ঘটনায় মামলা করা হবে। চলতি মাসের ১৬ডিসেম্বর গাড়ি চালিয়ে রাতে বাসায় ফেরার সময় ১১ নম্বর সেক্টর থেকে উত্তরা পশ্চিম থানা-পুলিশ আলমগীর হোসেনকে ধরে নিয়ে যায়। পরের দিন তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, আদালতে নেওয়ার সময় আলমগীর খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিল। থানা-পুলিশ তাকে মারধর করেছে। আর মারের কারণেই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিকেলে জানতে পারি ভাইকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে।
উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র সাহা জানান, পরিবারের অভিযোগ সত্য নয়। আলমগীরকে মারধর করা হয়নি।
