লালমনিরহাট আদিতমারীতে যৌতুকের জন্য দুই সন্তানের জননী শিউলি বেগম (৩৪) নামে এক গৃহবধূকে শরীরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যার করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় গৃহবধূকে লালমনিরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আদিতমারী থানায় ৩ জনের নামে একটি মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে।
নির্যাতিত গৃহবধূর বড় ভাই আবদুল মালেক জানান, স্বামী খাইরুল প্রায় সময় নেশা করত এবং সংসারের অভাব ও নেশার টাকার জন্য আমার বোনের ওপর প্রায় সময় বোনের স্বামী ও শাশুড়ি মিলে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করত। ঘটনার দিন ছোট বোনকে হত্যার করার উদ্দেশ্যে শরীরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পর তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে পুড়ে যায়। বর্তমানে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে শিউলি।
এ ঘটনায় গৃহবধূর বড় ভাই আবদুল মালেক বাদী হয়ে শিউলির স্বামী খাইরুল ইসলাম (৩৫), শাশুড়ি রোকেয়া বেওয়া (৫৫) ও ননদ জরিনা বেগম (৩৫) এর নামে আদিতমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ তার স্বামীকে গত রোববার গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।
লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার ডা. আমিনা বেগম বলেন, শিউলি বেগমের শরীরের গোপনাঙ্গ, দুই পায়ের গোড়ালি ডান হাতের কনুই থেকে বাহু পর্যন্ত পুড়ে গেছে। ক্ষত স্থান হতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
লালমনিরহাটের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যেই প্রধান আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
