‘জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের আত্মত্যাগী অবদান তাদেরকে বিশ্বের শীর্ষ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে পরিণত করেছে এবং একই সঙ্গে তাদের পরিশ্রমে অর্জিত অর্থ বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম আয়ের খাতে পরিণত হয়েছে।’ গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বেনিন শহীদ শান্তিসেনা দিবস’-এর ১৬তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।
২০০৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর মধ্যরাতে (বাংলাদেশ সময় ২৫ ডিসেম্বর) পশ্চিম আফ্রিকার দেশ লাইবেরিয়া ও সিয়েরালিওন থেকে শান্তিরক্ষা মিশন শেষে ফেরার পথে বেনিন সাগর উপকূলে এক মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৫ সেনা কর্মকর্তা। তাদের স্মরণে আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান। সিএলএনবি ও পিসকিপার্স মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ (প্রস্তাবিত) আয়োজিত স্মরণসভায় হারুনূর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক হারুনূর রশিদ ভূঁইয়া, হুমায়ুন কবির হিরু, নারগিস জাহান বানু, আইনজীবী আবেদ রাজা, নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন প্রমুখ।
বেনিনে দুর্ঘটনায় নিহত সেনা কর্মকর্তারা হলেন লে. কর্নেল আরেফিন, মেজর রওনক, মেজর রহিম, মেজর মুস্তাফিজ, মেজর মোশাররফ, মেজর ইমতিয়াজ, মেজর বাতেন, ক্যাপ্টেন আব্দুল মাবুদ, ক্যাপ্টেন রাকিব, ক্যাপ্টেন আরিফ, ক্যাপ্টেন রফিক, ক্যাপ্টেন ফরিদ, ক্যাপ্টেন জাহিদ, ক্যাপ্টেন আলাউদ্দিন ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার শফিক।
