নীলসাগর এক্সপ্রেস

বগি বদলে ৪ স্টেশনে কমেছে আসন, ভোগান্তি

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৪৫ এএম

আগের বড় বগিগুলো (১২ বগিতে ১ র‌্যাক) অন্য ট্রেনে যুক্ত করে কম আসনের বগি লাগানোয় এখন ভোগান্তিতে পড়েছেন নীলফামারীর চিলাহাটী থেকে ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী একমাত্র নৈশকালীন আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীরা। র‌্যাক বদল করে সুবিধা না বাড়িয়ে বরং জেলার চারটি স্টেশন থেকে ৯৩টি আসন কমিয়ে ভোগান্তি বাড়ানো হয়েছে যাত্রীদের। আসন কমে যাওয়ায় যাত্রীর চাপে চরম বিপাকে পড়েছেন জেলার চারটি স্টেশন নীলফামারী, চিলাহাটী, ডোমার ও সৈয়দপুর স্টেশনের কর্মকর্তারা।

যাত্রীরা বলছেন, আগে এক সপ্তাহ ধরনা দিয়েও ঢাকা যাওয়ার জন্য নীলসাগর ট্রেনের আসন সংগ্রহ করা কষ্টকর হতো। এখন আসন কমায় সেটি আরও প্রকট আকার ধারণ করবে।

অন্যদিকে রেলস্টেশনে কর্মরতরা বলছেন, যাত্রীর চাপে আসন সংকট প্রতিনিয়ত। এতে যাত্রীদের কাছ থেকে অল্পস্বল্প কটু কথা শুনতে হলেও এখন আগের তুলনায় আসন আরও বেশি কমায় আরও বেশি করে কটু কথা শুনতে হবে।

গত শনিবার বিকেলে নীলফামারী স্টেশনে কথা হলে জেলা শহরের সওদাগরপাড়ার রিপন ইসলাম বলেন, ‘আগে নীলফামারী স্টেশন সব মিলিয়ে মোট ৯৭টি আসন বরাদ্দ ছিল। সে সময় একটি আসনের জন্য এক সপ্তাহ আগে থেকে ধরনা দিয়েও আসন পাওয়া কষ্টকর ছিল। এখন সেখানে কমে ৬৬টি আসন হয়েছে। এতে আমাদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সোমবার ওই ট্রেনে ঢাকা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। স্টেশনে এসে টিকিট পাইনি। আগে যে পরিমাণ আসন ছিল, এখন তা নেই। টিকিট না পেয়ে আমার মতো অনেক যাত্রী ফিরে গেছেন।’

নীলফামারী স্টেশন মাস্টার ওবায়দুর রহমান বলেন, জেলার চিলাহাটী থেকে ঢাকার কমলাপুর পর্যন্ত চলাচলকারী নীলসাগর ট্রেনের র‌্যাকটি ছিল ভারতের তৈরি। র‌্যাকের প্রত্যেকটি কোচে ১০৫টি করে আসন ছিল। ২৭ ডিসেম্বর থেকে সেটি রাজশাহী-ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী বনলতা এক্সপ্রেসে বহরে যুক্ত করা হয়েছে। আর রাজশাহী-ঢাকা রেলপথে চলাচলকৃত বনলতা ট্রেনের র‌্যাকটি ছিল ইন্দোনেশিয়ার তৈরি। ওই র‌্যাকের প্রত্যেকটি কোচে আসনসংখ্যা ৯২টি। সেটি বনলতা থেকে সরিয়ে যুক্ত করা হয়েছে নীলসাগর এক্সপ্রেসে। আগের তুলনায় নতুন যুক্ত র‌্যাকে আসনসংখ্যা কম।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত