আতিকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তাবিথের

আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ০২:৩৭ এএম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গতকাল শনিবার উত্তর সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেমের কাছে তার পক্ষে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

আবেদনে তাবিথ বলেন, ‘গতকাল সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত গুলশান-১ এলাকার গুলশান পার্কে আতিকুল ইসলাম দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী মঞ্চ করেন, মাইক এবং সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে ভোটারদের কাছে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। কমিশন (ইসি) আমাদের আশ্বাস দিয়েছিল যে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বিদ্যমান থাকবে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি সব প্রার্থীর জন্য সমভাবে প্রয়োগ করা হবে। একই সঙ্গে বিষয়গুলো দেখার জন্য মাঠপর্যায়ে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবেন। কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয়, আতিকুল ইসলাম নির্বাচনী প্রচারণা চালালেও কেউ তাকে নিবৃত্ত করেননি।’

এতে আরও বলা হয়, ‘সিটি নির্বাচন আচরণবিধি, ২০১৬-এর বিধি-৫ অনুসারে প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবে না। এজন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর অপরাধে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানাচ্ছি। এতে ইসির প্রতি জনগণের আস্থা বাড়বে।’ 

এদিকে গতকাল দুপুরে গোপীবাগে ঢাকা দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেনের কাছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের হয়রানিসহ নানা অভিযোগ লিখিত আকারে জানিয়েছেন দক্ষিণে বিএনপির মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন।

পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। নির্বাচন নিয়ে যত ভয়-ভীতি, অত্যাচার-নির্যাতনই করুন না কেন, শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকব। যত ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন, মনোবল তত শক্ত হচ্ছে।’

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়ে দক্ষিণ সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, ‘অনেক আগের মামলা পুনরুজ্জীবিত করে এখন কোনো আদেশ বা ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা অনাকাক্সিক্ষত হবে। তবে ফৌজদারি মামলা হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘অতি উৎসাহী হয়ে কাউকে হ্যারাসমেন্ট করলে নির্বাচন কমিশন তাকে কিছুতেই ছাড় দেবে না।’

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন ভোট হবে। এবারই প্রথম ঢাকা সিটিতে সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত