ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নতুন প্রযুক্তি হিসেবে কিছুটা বিতর্ক থাকতে পারে; তবে ইভিএমে ভোট কারচুপির কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। তিনি বলেন, কয়েকটি নির্বাচনের পর সব মানুষের মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং তখন সন্দেহ কেটে যাবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রাম-০৮ আসনের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি ও ইভিএম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
এর আগে তিনি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বশরত নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনী প্রস্তুতি ও সদরের গোমদন্ডি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ইভিএম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সিইসি বলেন, ইভিএম সম্পর্কে মানুষের কিছু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। যারা প্রার্থী হয়েছেন তারা ইভিএম ভালোভাবে দেখেন, তাহলে এ ভুলটা কেটে যাবে। এখানে যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, কিছু ভোটারের সঙ্গেও বলেছি। তারা জানিয়েছেন ইভিএমের মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-০৮ আসনের উপনির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। এখানে নির্বাচনী পরিবেশ ভালো আছে। প্রার্থীদের মাঝে কোনো গ্রুপিং বা মনোমালিন্যের ঘটনাও ঘটেনি। বোয়ালখালীতে আসার পথে দেখলাম প্রার্থীদের পোস্টার পাশাপাশি লাগানো। প্রধান দুই প্রার্থীর মধ্যে ভালো আন্ডারস্ট্যান্ডিং রয়েছে। নিজেরা কোনো রকম সহিংসতায় যাবে না। নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার জন্য তারা আন্তরিক।
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, মন্ত্রিপরিষদের সভায় সরকারের ছুটির তালিকা হয়। সেখানে ২৯ জানুয়ারি সরস্বতী পূজার ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। সে কারণে আমরা ২৯ তারিখ নির্বাচনের দিন ধার্য করিনি। তাই নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়েছে ৩০ জানুয়ারি।
সিইসির সঙ্গে এসময় আরও ছিলেন নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান, যুগ্ম সচিব ফরহাদ আহমেদ খান, চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, অতিরিক্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তা আতাউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন, বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মো. নেয়ামত উল্লাহ প্রমুখ।
