আওয়ামী লীগ সরকারকে উদ্দেশ করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে একজন মজনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু এই মজনু মিয়া যেন সেই ‘জজ মিয়া কাহিনী’র মতো না হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘গণতন্ত্র উদ্ধার আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠনের উদ্যোগে ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে যে গ্রেনেড হামলা হয়েছিল, সেই ঘটনায় ‘বলির পাঁঠা’ করা হয় নোয়াখালীর মো. জালাল ওরফে জজ মিয়াকে। মামলার একসময়ের আসামি গাড়িচালক জজ মিয়া এখন সাক্ষী।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ঢাবি শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার মজনু যদি শেষ পর্যন্ত জজ মিয়া হয় তাহলে দেশে যে হারে ধর্ষণ বাড়ছে তার সমাধান আর কখনই হবে না। তিনি বলেন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের পাশে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। দেশে এত গোয়েন্দা সংস্থা, তারা কী করে? তারা কি শুধু প্রধানমন্ত্রীকে পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে? জনগণকে পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব কি তাদের নেই?
