গর্ভবতী বিদেশি নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে কড়াকড়ির নতুন নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব আইন অনুসারে দেশটিতে জন্মগ্রহণ করা যে কোনো শিশুই মার্কিন নাগরিকত্ব অর্জন করে।
ফলে সন্তানের উন্নত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাকে মার্কিন নাগরিকত্ব পাইয়ে দিতে অনেক গর্ভবতী নারী যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করে থাকে। গর্ভবতী বিদেশি নারীদের এই প্রবণতা ‘বার্থ টুরিজম’ হিসেবে পরিচিতি পায়।
মার্কিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক তারবার্তায় জানায়, শুক্রবার থেকে ভিসা সংক্রান্ত এই নতুন নীতি কার্যকর করতে যাচ্ছেন তারা। ইতিমধ্যে এই নীতি গ্রহণের বিষয়টি বিশ্বের মার্কিন দূতাবাসগুলোতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস এক ঘোষণায় জানায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশি গর্ভবতী নারীদের অস্থায়ী ভ্রমণ (বি -১ / বি -২) ভিসা দেবে না। যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান জন্মদানের জন্য এই ভিসা ব্যবহার করা হয় বলে তারা জানায়।
সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে বিদেশি গর্ভবতী নারীদের যুক্তরাষ্ট্রের প্রবেশে আরও কষ্টসাধ্য করে তুলতে এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।
মূলত কোনো দর্শনার্থীর যদি প্রাথমিক উদ্দেশ্যই থাকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে সন্তান প্রসব করবে তাকে ভিসা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এই কড়াকড়ি ৩৯টি দেশের জন্য প্রযোজ্য হবে না, যেগুলো অধিকাংশই ইউরোপের দেশ।
