ব্রিটিশ নাগরিকের ঘড়ি ও মোবাইল ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২০, ০৯:৫৬ পিএম

ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে সাত মামলা দিয়ে হয়রানি, কারাগারে প্রেরণ, দুটি মোবাইল ও দশ লাখ টাকা দামের ঘড়িসহ বিভিন্ন মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক।

শুক্রবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন এম মোহিদ আলী (মিঠু) নামের ওই ব্রিটিশ নাগরিক।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৫ সালে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ১২০ জন মিলে ঢাকায় একটি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট করেন। স্থানীয় তিন অংশীদার প্রতিষ্ঠানটি আত্মসাতের চেষ্টা করে। তারা প্রতিবাদ জানাতে বাংলাদেশে আসলে গত বছরের ৯ জুলাই রাজধানীর রামপুরার বনশ্রীতে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে রামপুরা থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ওই টিমে থানার এএসআই মো. আতোয়ার রহমান, বিল্লাল, হাফিজ ও আবুল হোসেন ছিলেন।

অভিযোগে তিনি জানান, আবুল তার দুটি মোবাইল সেট নিয়ে যান। ওই দিন থানার ডিউটি অফিসার এসআই তওফিকা ইয়াছমিন তার ব্যবহৃত ১০ লাখ টাকা মূল্যের একটি হাত ঘড়ি, লেদার বেল্টের স্বর্ণের ওমেগা ঘড়িসহ ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে যায়। পর দিন একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় তাকে।

তিনি আরো দাবি করেন, ঢাকায় তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টি তিনি আগেই লিখিতভাবে ডিএমপি কমিশনার ও গুলশান বিভাগের উপকমিশনারকে জানিয়েছেন। দুর্নীতি দমন কমিশনও এ বিষয়ে মামলা করেছে। পুলিশ তার ঘড়ি, মোবাইলসহ মালামাল ফেরত না দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামপুরা থানার ওসি আব্দুল কুদ্দুস ফকির দেশ রূপান্তরকে বলেন, মামলা হয়েছে আদালতে। পরোয়ানা পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুয়া মামলা বা তাদের মালিকানার দ্বন্দ্ব পুলিশের বিষয় নয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত