একটু বেড়ে উঠতেই শিশুদের মধ্যে অনেক সময় মিথ্যা বলার প্রবণতা দেখা যায়। তবে মনোবিদদের মতে, শিশুদের মিথ্যে কথা বলার প্রবণতাকে এক দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়। কল্পনাপ্রবণ থেকে নাকি বিশেষ কোনো উদ্দেশে শিশু মিথ্যা বলছে কী না, যেটি আগে বিবেচনা করুন। শিশুর মিথ্যা বলা প্রবণতা নিয়ে জানাচ্ছে জি নিউজের একটি প্রতিবেদন।
শিশুরা কেন মিথ্যে বলে?
*কোনো কোনো শিশু খুবই কল্পনাপ্রবণ। তাই সে মিথ্যের আশ্রয় নিতে পারে।
*কোনো কোনো শিশু বিশেষ উদ্দেশে মিথ্যা কথা বলে। যেমন, হয়তো তার সেদিন হোমওয়ার্ক হয়নি সেদিন স্কুল না যাওয়ার জন্য সে পেটে ব্যথা, মাথাব্যথা বলতেই পারে।
* মা-বাবা খুব রাগী হলে শিশুরা দোষ লুকানোর জন্য মিথ্যে বলে।
* শিশুরা দেখে শেখে। তাই বাড়ির বড়রা যদি মিথ্যে বলে শিশুরাও মিথ্যা বলতে শিখবে।
*বড়দের মতোই অপ্রিয় সত্য কথা গোপন করতেও শিশুরা মিথ্যা বলে।
শিশুদের মিথ্যা বলার সমস্যা কীভাবে রুখবেন
* শিশুরা যা দেখে সেটিই শেখে। তাই আগে নিজেকে সংশোধন করতে হবে।
* শিশুর মিথ্যা ‘ধরা’ পড়ে গেলে তাকে মারধর করবেন না। বরং শান্ত হয়ে তাকে বোঝান।
*যেসব শিশু কল্পনাপ্রবণ, তাদের কথাগুলোকে মজার গল্প বলে প্রশংসা করুন।
* মনোবিদদের মতে ৬ বছর বয়সের পর শিশুদের ‘সুপার ইগো’র বিকাশ ঘটে। তার ফলে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল সে বুঝতে শেখে। এই সময় নীতিকথামূলক গল্প শোনান।
