রাজশাহী, কুষ্টিয়া ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ১১:৩৫ পিএম

রাজশাহীতে ১০ বছরের শিশু স্বপ্না খাতুনকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজশাহীর শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মনসুর আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এদিন কুষ্টিয়ায় দোকান কর্মচারী হত্যায় একজনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।

রাজশাহীর ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দণ্ডিতরা হলেন নগরীর শাহমখদুম থানার পাকুড়িয়া উত্তরপাড়ার মানু মণ্ডলের ছেলে সাইদুর রহমান ওরফে জ্যাক (৪২) ও মো. হাসেনের ছেলে মো. রানা (৩০)। একই সঙ্গে তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী রইস উদ্দিন।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, নগরীর শাহমখদুম মাঝিগ্রাম এলাকার সিদ্দিক আলীর মেয়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী স্বপ্না ২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট পাকুড়িয়া গ্রামে তার ফুফুর বাড়ি বেড়াতে যায়। ওইদিন সন্ধ্যায় স্বপ্না একাই বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। কিন্তু সে বাড়ি ফেরে না। অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাত ৯টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত কবরস্থানে স্বপ্নার লাশ পাওয়া যায়। পরদিন শাহমখদুম থানায় মামলা করেন স্বপ্নার বাবা।

এদিকে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী জানান, কুষ্টিয়া মডেল থানার দোকান কর্মচারী ইয়াছির আরাফাত লাল্টু হত্যা মামলায় শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার মৃত দেলোয়ার হোসেনের ছেলে লিটনকে (৩২) মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অরূপ কুমার গোস্বামী এ রায় ঘোষণা করেন।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ জুন রাত সাড়ে ১১টায় শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকায় ৩নং স্কুল সংলগ্ন জনৈক নয়নের দোকানের সামনে গার্মেন্টস দোকান কর্মচারী ইয়াছির চিপস খাচ্ছিলেন। এ সময় লিটন এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে। পরদিন রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ এ ঘটনায় তার বাবা খন্দকার সামসুল আলম লিটনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত