২০১২ সালে নির্ভয়া গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার অন্যতম সাজাপ্রাপ্ত আসামি মুকেশ দাবি করেছেন, তিহাড় জেলে তাকে যৌন হেনস্তা করা হয়েছে। রিট পিটিশনের শুনানি চলার সময় তার আইনজীবী আদালতে এ কথা জানান।
সব শুনে আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, আবেদনের কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। আবেদনকারী দাবি করেছে, তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। কিন্তু, সব তথ্য ও নথি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করা হয়েছে। তিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিশ্চয়ই সবকিছু বিচার করেছেন।
ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজের প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল মুকেশ।
যৌন হেনস্তার বিষয়টি প্রাণভিক্ষার আর্জির ভিত্তি হতে পারে না বলে মন্তব্য করেন তুষার মেহতা। তিনি বলেন, ‘এটা বিলাসিতার বিচারব্যবস্থা নয় যে আমার সঙ্গে যেহেতু খারাপ ব্যবহার করা হয়েছে, তাই আমি নৃশংস অপরাধে দোষী হওয়া সত্ত্বেও আমার প্রাণভিক্ষা দেওয়া হবে।’
দিল্লিতে ধর্ষণের ঘটনা অহরহ ঘটে। দেশটির ৩৫টি মেগাসিটির মধ্যে এই শহরেই সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ২০১২ সালে জ্যোতি সিং পাণ্ডে নামের মেডিকেলে পড়া এক তরুণী চলন্ত বাসে ধর্ষণের শিকার হন। ১৩ দিন বাদে তিনি মারা যান। ২৩ বছরের ওই তরুণী ভারতজুড়ে নির্ভয়া নামে পরিচিতি পান।
