এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ বিমানে ৩২৪ জন ভারতীয় দেশে ফিরলেও ছয়জনকে আসতে দেওয়া হয়নি।
এক যাত্রী জানিয়েছেন, তারা যখন বিমানে উঠতে যাচ্ছিলেন তখন প্রচণ্ড জ্বরে তাদের গা পুড়ে যাচ্ছিল। চেক-আপের সময় তা বুঝতে পেরেই বিমানযাত্রী, পাইলট ও বিমানকর্মীদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কায় তাদের ভারতে আসার অনুমতি দেয়নি চীন প্রশাসন।
সব মিলিয়ে রবিবার পর্যন্ত রহস্যময় করোনাভাইরাসে শুধু চীনে ৩০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৮০ জন।
যে হুবেই প্রদেশ থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে সেখানে এখন পর্যন্ত ৯ হাজার ৭৪ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মারা গেছেন ২৯৪ জন।
আশার খবর হল এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে এখন পর্যন্ত ৩২৮ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।
চিকিৎসকেরা বলছেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। এটি মোড় নিতে পারে নিউমোনিয়া, রেসপিরেটরি ফেইলিউর বা কিডনি অকার্যকারিতার দিকে। পরিণতিতে ঘটতে পারে মৃত্যু।
করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। লক্ষণগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। কারও ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও দেখা দিতে পারে।
