ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রীর ফাঁসি

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১:২৪ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের একটি হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক সাবেরা সুলতানা খানম এ দন্ডাদেশ দেন। এছাড়া মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড এবং দুজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো নায়ায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার হালদ গ্রামের আমিরুদ্দিনের ছেলে আফজাল কৈয়া ও তার স্ত্রী হেলেনা বেগম। মামলায় আফজালের বাবা আমিরুদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেওয়া হয়। আমিরুদ্দিনের অন্য দুই ছেলে মো. সুমন ও ওমর ফারুককে বেকসুর খালাস দেয় আদালত। রায় ঘোষণার সময় আফজাল ও আমিরুদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিল। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত হেলেনা জামিন নেওয়ার পর থেকে পলাতক।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রূপগঞ্জের হালদ গ্রামের শুক্কুর আলী একই এলাকার আমিরুদ্দিনের কাছ থেকে জমি কিনতে ৫ লাখ টাকা দেন। কিন্তু এই জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে টালবাহানা করে আমিরুদ্দিন। পরে ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর ওই জমি রেজিস্ট্রি করে দিতে সম্মত হয়। ৭ ডিসেম্বর আমিরুদ্দিন ও তার ছেলে আফজাল কৈয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের মরিচাকান্দিতে আফজালের শ্বশুরবাড়িতে শুক্কুর আলীকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যায়। ওইদিনই আফজালের স্ত্রী হেলেনা শুক্কুর আলীকে কৌশলে মেঘনা নদীর পাড়ে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের কৌশলে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে। এরপর আফজাল উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে শুক্কুর আলীকে হত্যা করে লাশ মেঘনা নদীতে ফেলে দেয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত