আ.লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১০

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৩:০০ এএম

রাজশাহীর বাগমারায় তাহেরপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে স্থানীয় এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে সংঘর্ষে জড়িয়েছে দু’পক্ষ। এতে সাংবাদিকসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা সময় টিভির ক্যামেরাপারসন হাবিবুর রহমান পাপ্পুর ক্যামেরা ভাঙচুর ও তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ছিল। সম্মেলন উপলক্ষে দুপুরের মধ্যে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা, বাগমারার এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হন তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজে। সম্মেলন শুরুর পর দুপুর ১২টার দিকে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী আব্দুর রাজ্জাক আর্ট বাবু লোকজন নিয়ে সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হন। সমর্থকদের নিয়ে তিনি নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদের সমর্থকরা আর্ট বাবুর সমর্থকদের বাধা দেয়। এতে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। মেয়রের সমর্থকরা প্রতিপক্ষকে মারপিট করে বের করে দেয়। এ সময় হামলার ভিডিও ধারণ করতে গেলে সময় টিভির ক্যামেরাপারসন হাবিবুর রহমান পাপ্পুর ওপর হামলা চালানো হয়। ক্যামেরা ভাঙচুর করার পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। আহতদের মধ্যে ইমান আলী ও মিঠু পিয়াদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।’ আর্ট বাবু বলেন, ‘হামলার ঘটনা পরিকল্পিত। পরিকল্পনামাফিক সমর্থকদের নিয়ে সম্মেলনস্থলে যাওয়ার পর হামলা চালানো হয়।’ তিনি বলেন, ‘সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে আমার নাম প্রস্তাব করা হতো। যার কারণে আমি যেন কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে সম্মেলনে উপস্থিত হতে না পারি সেজন্য হামলা চালানো হয়েছে।’ সুষ্ঠু বিচার পেতে জেলা আওয়ামী লীগে অভিযেগ করা হবে বলেও জানান তিনি।

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান বলেন, তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত