ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের প্রধান ফটকে তালা দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় অধ্যক্ষসহ পাঁচ শিক্ষকের অপসারণের দাবি তোলেন তারা। গতকাল সোমবার সকালে কলেজ চত্বরে বিক্ষোভ থেকে এ দাবি করা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের সামনের ১ দশমিক ২৭ একর জমির মালিকানা নিয়ে বিচারাধীন মামলায় কলেজের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রধান ফটকে তালা দিয়েছেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুর রহিম, গণিতের বিভাগীয় প্রধান ম্যুরারি মোহন দাস, ইংরেজি বিভাগের প্রধান রবিউল ইসলাম, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রবিউল ইসলাম ও দর্শন বিভাগের প্রধান নজরুল ইসলাম। ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল হাসান রনি বলেন, ৬০ বছরের পুরনো এই কলেজে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের চলাচলের প্রধান ফটক তালা দেওয়া অধ্যক্ষসহ ৫ শিক্ষককে দ্রুত অপসারণ করা হোক। গণস্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে।
গণিত বিভাগের প্রধান বলেন, অধ্যক্ষের নির্দেশে কলেজের প্রধান ফটকে তালা মেরেছি। এখন তিনি আমাকে ‘পরিবেশ শান্ত রাখতে যা যা করা প্রয়োজন’ তা করতে বলেছেন।’ ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী বলেন, ‘কলেজ কর্র্তৃপক্ষ বিষয়টি লিখিতভাবে জানায়নি, কলেজগেটে কে বা কারা তালা দিয়েছে জানি না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
ইউএনও শিহাব রায়হান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনে অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি কলেজের প্রধান ফটকে তালা মারার কথা স্বীকার করেছেন।’ অধ্যক্ষ বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনায় কলেজের প্রধান ফটকে তালা মেরে বন্ধ করা হয়েছে। তবে কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য পেছনে একটি গেট তৈরি করে দেওয়া হবে।’
