রাজধানীর দিলু রোডের ভবনে আগুনে দগ্ধ দম্পতির মধ্যে জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত মারা গেছেন। রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তার মৃত্যু হয় বলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এর সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন।
জান্নাতুল ফেরদৌস তার স্বামী মো. শহিদুল কিরমানি রনির সঙ্গে ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে দিলু রোডের বাড়িতে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হন রনি ও জান্নাত। আতঙ্কে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের কোল থেকে আগুনে পড়ে অঙ্গার হয়ে যায় চার বছরের ছেলে একেএম রুশদী। তাকে বাঁচাতে মা-বাবা দুজনই আগুনে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।
বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানিয়েছেন, আগুনে শ্বাসনালিসহ রনির শরীরের ৪৩ শতাংশ ও জান্নাতের ৯৫ শতাংশ পুড়ে যায়।
ভিআইভিপি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের হিসাব ব্যবস্থাপক ও ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) প্রভাষক শহিদুল কিরমানি রনি দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রোডাকশন ম্যানেজার একেএম শহীদুল্লার ছেলে।
আর তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত বেক্সিমকো ফার্মার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা।
দিলু রোডের ওই বাড়িতে আগুনে দোতলায় থাকা বায়িং হাউসের অফিস সহকারী আবদুল কাদের (৪৫) ও ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী আফরিন জান্নাত ওরফে জ্যোতি (১৮) মারা যান। জ্যোতির মা লাল বানু ও বাবা গণপূর্তের কর্মচারী জাহাঙ্গীর আলম ছাদ থেকে দড়ি বেয়ে নামতে গিয়ে গুরুতর আহত হন।
