ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা লেনদেনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিতে হচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। গত বুধবার দেশটির সুপ্রিম কোর্ট আগের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে।
২০১৮ সালের এপ্রিলে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার নিষেধাজ্ঞার কারণে ভার্চুয়াল মুদ্রায় কোনো ধরনের সেবা দিতে পারেনি ভারতের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। সে সময় ভারতের আর্থিক ব্যবস্থায় পদক্ষেপটি জরুরি ছিল বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। আরও বলা হয়েছিল, বিটকয়েন ও অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সি সাধারণ মুদ্রার মতো লেনদেন সম্ভব নয়। কারণ সেগুলো ধাতব নয় এবং বাহ্যিক আকার নেই। তাছাড়া ভার্চুয়াল মুদ্রায় সরকারের সিল থাকে না বলে যুক্তি দেখিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
বাংলাদেশের মুদ্রার নাম যেমন টাকা, আমেরিকার যেমন ডলার, ভারতের যেমন রুপি, ভার্চুয়াল মুদ্রারও আলাদা নাম আছে। সবচেয়ে জনপ্রিয় মুদ্রার নাম বিটকয়েন। সম্প্রতি যোগ হয়েছে ফেইসবুকের লিবরা। এমন প্রায় এক হাজার মুদ্রা প্রচলিত আছে। এটি মূলত ডিজিটাল মানি। অর্থাৎ অনলাইনে আপনার অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেই অ্যাকাউন্টে ডিজিটাল কোডের মাধ্যমে আপনার মুদ্রা সংরক্ষিত থাকবে।
ভার্চুয়াল মুদ্রা লেনদেনের জন্য কোনো ব্যাংকিং ব্যবস্থা নেই। ইলেকট্রনিক মাধ্যমে অনলাইনে দুজন ব্যবহারকারীর মধ্যে সরাসরি (পিয়ার-টু-পিয়ার) আদান-প্রদান হয়।
