অধিকাংশ ব্যবহারকারী চাইলেই ইন্টারনেট থেকে নিজের ১০০ শতাংশ ডেটা ডিলিট করতে পারবেন না। কিছু না কিছু তথ্য থেকেই যায়। তবে কৌশলী হলে প্রায় ৯৯ শতাংশ তথ্য ডিলিট করা যায়।
পুরোনো ইমেইল : সব অ্যাকাউন্ট চিরতরে ডিলিট করে ইন্টারনেট ছেড়ে দিলেও যদি অনেক আগে খোলা অ্যাকাউন্ট ডিলিট না করেন, তাহলে আপনার তথ্য থেকেই যাবে। বিপদ হলো, পুরনো ইমেইল ডিলিট করতে হলে সঠিক পাসওয়ার্ড লাগে। সেটা সবার মনে থাকে না। পুরনো ইমেইল একজন ব্যবহারকারীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সাইবার অপরাধীরা সেখান থেকে তথ্য নিয়ে ফিশিং ক্যাম্পেইন করতে পারে। এমএসএন কিংবা ইয়াহুর ক্ষেত্রে সমস্যা নেই। এই প্রোভাইডাররা অব্যবহৃত ইমেইলগুলো এমনিতেই ডিলিট করে দেয়। অন্য প্রোভাইডারের ইমেইল ব্যবহার করলে যতটা সম্ভব নিজের পুরনো অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে হবে।
অ্যাপের সঙ্গে দূরত্ব : ফ্রি অ্যাপ ব্যবহার করা অনেকের কাছে মজার একটি বিষয়। কিন্তু মনে রাখতে হবে যত বিপদ এই অ্যাপেই হয়। সব থার্ডপার্টি অ্যাপ ব্যবহারকারীর লোকেশন, গ্যালারি, রেকর্ডসহ অধিকাংশ তথ্য হাতিয়ে নেয়। তাই ইন্টারনেট থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে অ্যাপ এড়িয়ে চলতে হবে।
ডেটা কালেকশন সাইট : ইন্টারনেটে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করার জন্য শত শত ডেটা কালেকশন সাইট আছে। তার মধ্যে অন্যতম Spokeo, Whitepages.com, PeopleFinder।
এসব সাইটে প্রবেশ করে কুকিজ ডিলিট করতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো তারপরও এরা আপনার তথ্য রেখে দেয়। পুরোপুরি ডিলিট হতে একটি বিশেষ সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। ‘joindeletme.comÕ’ থেকে ‘DeleteMe’ সার্ভিস নিতে হবে। এজন্য আপনাকে বছরে হাজার দশেক টাকা ব্যয় করতে হবে। যারা অনলাইনে প্রতিনিয়ত লাখ লাখ টাকা লেনদেন করেন, তারা এই সার্ভিস নিতে পারেন।
