গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক ব্যক্তির বাড়িঘর ভাঙচুর এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাঙচুরের দুটি মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাবুল হোসেন খোকনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে জেলাহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল শনিবার দুপুরে পুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠায়। গ্রেপ্তার অপর তিনজন হলেন একই উপজেলার শ্রীরামকান্দি গ্রামের জুয়েল শরীফ, শফিক ও জামাল খা। জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুরে শেখ বাবুল হোসেন খোকনসহ তার লোকজন শ্রীরামকান্দি গ্রামের হানিফ খার বাড়িঘরে ভাঙচুর চালান। পরে হানিফ খার পরিবার পাটগাতী চৌরাস্তা এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শেখের কাছে বিষয়টি অবহিত করতে যায়। তখন খোকনসহ তার দলবল সেখানে হামলা চালায়। এ সময় বাবুল হোসেন ও তার অফিসের কাছে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্নারেও হামলা চালায় তারা। সেখানে বঙ্গবন্ধুর বেশ কয়েকটি ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়।
এ ঘটনায় খোকনসহ ১১ জনকে আসামি করে মামলা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের ভাই ইকবাল হোসেন শেখ।
হানিফ খার বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি (হানিফ) শেখ বাবুল হোসেন খোকনসহ ৮ জনের নামে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা করেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শেখ অভিযোগ করেন, খোকন ১৫/১৬ জন লোক নিয়ে এসে বঙ্গবন্ধু কর্নারের ছবি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় তিনি আহত হন।
শেখ বাবুল হোসেন খোকন বলেন, তিনি নোংরা রাজনীতির শিকার। এ ঘটনা সাজানো, তারা নিজেরা ছবি ছিঁড়ে তাকে দায়ী করছে। তিনি এ ঘটনার তদন্ত দাবি করে বলেন, যারা নোংরা রাজনীতি করে বঙ্গবন্ধুর ছবি নিজেরা ছিঁড়েছেন তিনি তাদের বিচার দাবি করেন। টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি এ এফ এম নাসিম জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্তদের নামে দুটি মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
