বগুড়ার শিবগঞ্জে শ্বাসকষ্টে মারা যাওয়া মাসুদ রানা (৪৫) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন না।
সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
মৃত ব্যক্তির সংগ্রহ করা নমুনা ঢাকায় পাঠানোর পর সোমবার দুপুরে বগুড়ার সিভিল সার্জনের কার্যলয়ে নমুনা পরিক্ষার রিপোর্ট পৌঁছে।
এদিকে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়ে এলাকায় লকডাউন প্রত্যাহার করে নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
গত শনিবার সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহব্বত নন্দীপুর গ্রামে মারা যান মাসুদ রানা (৪৫)। তার মুত্যুর পর এলাকায় করোনাভাইরাস আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় আশপাশের ১৫টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করেন স্থানীয় প্রশাসন। পরে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা মৃতদেহ থেকে নমুনা হিসেবে মুখের লালা সংগ্রহ করে ঢাকায় আইইডিসিআরএ প্রেরণ করেন।
এছাড়া আইইডিসিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী মৃত ব্যক্তিকে সংক্রমক ব্যাধি আইন অনুযায়ী দাফন করে স্থানীয় প্রশাসন।
বগুড়ার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, আইইডিসিআর থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মৃত ব্যক্তি দেহে করোনাভাইরাসের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর কবীর বলেন, ওই বাড়িসহ পার্শ্ববর্তী ১৫টি বাড়িকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। আইইডিসিআর থেকে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল জানার পর সোমবার দুপুরে ওই এলাকার লকডাউন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
