নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে টেঁটাযুদ্ধে শিশুসহ আহত হয়েছেন আটজন। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের তিন নারীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পটুয়াখালীর দুমকিতে দুপক্ষের সহিংসতায় আহত হয়েছেন নারীসহ অন্তত পাঁচজন। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
নারায়ণগঞ্জ : আড়াইহাজারে দুপক্ষে তুমুল টেঁটাযুদ্ধ হয়েছে। করোনা প্রতিরোধ সামগ্রী বিতরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ বছর বয়সী এক শিশুসহ ৮ জন টেঁটাবিদ্ধ হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামে এ যুদ্ধ হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্বপন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ও সাবান বিতরণের জন্য স্থানীয় তাজী মাতবরকে দায়িত্ব দেন। এতে করে স্থানীয় ইউপি মেম্বার ইব্রাহিম হোসেন ও তার সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হয়। সোমবার সকালে তাজী মাদবরের নেতৃত্বে মাস্ক ও সাবান দেওয়ার সময় দুপক্ষের মধ্যে ঝগড়া হয়। কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় টেঁটাযুদ্ধ। আহতদের মধ্যে শেখ ফরিদ ও এক শিশুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) : প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় একই পরিবারের তিন নারীসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গত রবিবার রাতে উপজেলার পশ্চিম রায়পুর গ্রামের দক্ষিণ কালীবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাতে প্রতিবেশী কালা মিয়া দলবল নিয়ে মো. সোহেলের বসতভিটা জবরদখল করতে যায়। এ সময় কালা মিয়ার লোকজন বাড়ির উঠানে গিয়ে গালমন্দ করতে থাকে। পরে সন্ত্রাসীরা সোহেলের ঘরে ঢুকে রাম দা ও কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে মো. সোহেল (৩৫), আলিয়া বেগম (৪৫), বিলকিছ আক্তার (৩০) ও মজুমা খাতুনকে (৫৫) গুরুতর আহত করে।
দুমকি (পটুয়াখালী) : দুপক্ষের হামলা-সহিংসতায় উভয় পক্ষের মহিলাসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলো রাসেল শরীফ (২৪), রানী বেগম (৪৮), সালমা বেগম (৩০), সুজন জোমাদ্দার (৩০) ও জলিল জোমাদ্দার (২২)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে উভয় পক্ষ দুমকি থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার দুমকি সাতানী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
