বাগেরহাটের চিতলমারীতে ইতি খানম (২০) নামে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের মীর জাহিদুল ইসলাম মধুর বাড়িতে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ আজ দুপুরে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
তবে হত্যার সঙ্গে জড়িত কেউ এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
কারা কী কারণে এই গৃহবধূকে হত্যা করেছে তা পুলিশ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
নিহত ইতি খানম চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের কুনিয়া গ্রামের মীর জাহিদুল ইসলাম মধুর স্ত্রী।
নোয়াখালীতে থেকে নিহতের ভাসুর মীর হাফিজুল ইসলাম মুঠোফোনে অভিযোগ করেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের আগে আমি ও আমার ছোট ভাই জাহিদুল দুই বউকে বাড়িতে রেখে নোয়াখালীতে বেড়াতে আসি। বেড়াতে এসে এখানে আটকা পড়েছি। বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে দুইদিন আগে দুর্বৃত্তরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
আমরা এই ঘটনা থানায় অভিযোগ করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
তিনি বলেন, আমাদের সাথে প্রতিবেশী ইকবাল ফেরদাউসসহ কয়েকজনের সাড়ে তিন বিঘা বাগানবাড়ির জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। সেই বিরোধের জেরে ওই প্রতিবেশীরা আমার ভাইয়ের বউকে হত্যা করে থাকতে পারে বলে অভিযোগ হাফিজুলের।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শরীফুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে ইতি খানম একা নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন।
রাতের কোনো এক সময়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের দল দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে ইতিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
নিহতের স্বামীর সাথে কয়েকজন প্রতিবেশীর জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ রয়েছে। সেই বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
