কুষ্টিয়ায় গ্যাস্ট্রিক-আলসারসহ হৃদ্রোগ ও শ্বাসকষ্টে নাজমুস সালেহীন (৩৪) নামে এক নৌ-বাহিনী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।
নাজমুস সালেহীনকে অচেতন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জরুরি বিভাগ জানায়, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই ওই রোগীর মৃত্যু হয়েছিল।
গত তিন দিন আগে ছুটিতে আসা নাজমুস সালেহীন খুলনা নৌ-ওয়ার্ডে সার্জেন্ট পদে কর্মরত ছিলেন এবং চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেন আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর কবির।
পুলিশ জানায়, নাজমুস সালেহীনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যে সিদ্ধান্ত দেবেন পুলিশের পক্ষ থেকে তা পালনের উদ্যোগ নেয়া হবে। সাম্প্রতিক কালে ওই নৌ-সেনা বিদেশ ভ্রমণ করেছেন এমন কোন তথ্য পায়নি পুলিশ।
মেহেরপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন জানান, করোনায় আক্রান্ত সন্দেহে নাজমুস সালেহীন অসুস্থ অবস্থায় তিন দিন ধরে তার শ্বশুরবাড়ি আমঝুপি কোলা গ্রামে অবস্থান করছিলেন। সে কারণে ওই এলাকার কয়েকটি বাড়ির বাসিন্দাদের হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তাপস কুমার সরকার ওই রোগীর সঙ্গে থাকা পূর্ববর্তী চিকিৎসা পত্রের বরাত দিয়ে জানান, তিনি পূর্ব থেকেই গ্যাস্ট্রিক-আলসার ও হৃদ্রোগে ভুলছিলেন। তবে পরিবারের লোকজন করোনার লক্ষণ ছিল বলে দাবি করায় তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যেহেতু জরুরি বিভাগে আসার আগেই রোগীর মৃত্যু হয়েছিল সে কারণে ওই রোগীর লক্ষণ সম্পর্কে সরাসরি আমরা কিছু জানতে পারি নাই।
শুক্রবার বেলা ১১টায় খুলনা থেকে আগত নৌ-সেনাদের উপস্থিতিতে মৃতের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
