শ্রমিকের বেতন

বিশেষ তহবিল থেকে ঋণ পাবে ইপিজেড-ইজেডের কারখানা

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০২০, ০১:৩১ এএম

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ তহবিল থেকে ঋণ সুবিধা নিয়ে তিনটি বিশেষ এলাকার রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা যাবে। এগুলো হলো রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড), অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) এবং হাইটেক পার্কের টাইপ-সি (দেশি মালিকানাধীন) শিল্পপ্রতিষ্ঠান।

গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ২৫ নভেম্বর ২০১৮ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জারিকৃত এসআর ও ৩৪৫-আইন/২০১৮-এর তফসিল ‘ক’-এর গ্রেড ১ থেকে ৭ এবং তফসিল ‘খ’ ১ থেকে ৪ গ্রেডের কর্মরতরাই ওই শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারী হিসেবে বিবেচিত হবেন।

এছাড়া রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রমাণের জন্য বাণিজ্য সংগঠনের (যেমন বিজেএমইএ, বিকেএমইএ ইত্যাদি) প্রত্যয়নপত্র লাগবে। তবে বিজেএমইএ, বিকেএমইএ কথা উল্লেখ থাকলেও অন্যান্য খাতের রপ্তানিকারকরা তাদের নিজ নিজ সংগঠনের প্রত্যয়নপত্র নিতে পারবেন। শুধু সচল রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ঋণ সুবিধা পাবে। যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান মোট উৎপাদনের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ রপ্তানি করে তারা রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের শ্রমিক-কর্মচারীদের বিগত ডিসেম্বর ২০১৯, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি ২০২০ মাসের বেতন পরিশোধ করেছে তারা সচল শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হবে।

বেতনের অর্থ শ্রমিক-কর্মচারীর ব্যাংক হিসাবে লেনদেন করতে হবে। কোনো প্রকার নগদ লেনদেন করা যাবে না। যেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ব্যাংক হিসাব নেই। তাদের মালিক নিজ উদ্যোগে ব্যাংক হিসাব খুলে দেবেন। এসব হিসাবে কোনো চার্জ আরোপ করতে পারবেন না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত