প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) সারা বিশ্বে বেঘোরে মানুষ মারা যাচ্ছে। বিধ্বস্ত অর্থনীতি। কেবল তাই নয়, এই ভাইরাস মানুষের রক্তের, আত্মীয়তার এবং সামাজিক মানবিক সম্পর্ককেও পরীক্ষায় ফেলেছে।
এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের তিপ্পারপুর গ্রাম।
এই সময় জানায়, কাজের খোঁজে মাত্র চার মাস আগে বিয়ে করা স্ত্রীকে নিয়ে উত্তরাখণ্ড থেকে পাঞ্জাব গিয়েছিলেন অশোক কুমার। করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সেখান থেকে ফিরে এলেও গ্রামে ঢুকতে পারেননি তিনি।
বৃহস্পতিবার স্ত্রীকে নিয়ে গাছের ডালে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন অশোক।
জানা গেছে, পাঞ্জাব থেকে ফিরে গ্রামের বাইরে একটি স্কুলে আরও কয়েকজনের সঙ্গে কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ২৪ বছর বয়সী অশোক কুমার ও তার স্ত্রী। তাদের করোনা উপসর্গ না থাকলেও বাইরে থেকে আসায় কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়েছিল।
গ্রামের লোকেরা তাদের নিজেদের ঘরে ঢুকতে দেয়নি। এই দুঃখে স্ত্রীকে নিয়ে অশোক উত্তরাখণ্ডের তিপ্পারপুর গ্রামের পাশের জঙ্গলে আত্মহত্যা করেন বলে মনে করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে স্ত্রীকে নিয়ে পাশের জঙ্গলে গিয়েছিলেন তিনি। পরে একটি গাছের ডাল থেকে তাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার কারা হয়।
তাদের মৃত্যুর পেছনে আর কোনো কারণ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
